The Lallantop-এর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় বরুণ বলেন যে, “সেই ‘রণবীর বিনয় অওর কৌন’-এর পরে আমি ফারহান সাহেবের ‘ওয়ে! ইটস ফ্রাইডে!’-তে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানে থাকাকালীন আমি উপলব্ধি করেছি, যেটা আমি লিখছি, সেটার উপর পারফর্মারের দিক থেকে কোনও ভ্যালু অ্যাডিশন হচ্ছে না। সেই প্রথম বার আমি জানতে পারলাম যে, অভিনেতারা এই ধরনের অনুষ্ঠান করে কত টাকা আয় করেন! যদিও এর আগে আমারও একটা ধারণা ছিল, তবে আমি এটা ভাবতে পারিনি যে, ব্যবধানটা এত বড় হবে! কিন্তু যখন আমি এর সম্পর্কে জানতে পারলাম, তখন ভেবেছিলাম যে, হয়তো এটা মিথ্যা তথ্য এবং কেউ আমাকে কেবল উত্তেজিত করার জন্য এটা বলেছে। তবে নিশ্চিত ভাবে বলতে না পারলেও আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, এই ব্যবধানটা অনেক বড়। তাঁকে প্রতি পর্বের জন্য ৪৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছিল, আর সেখানে আমি প্রতিটা পর্বের জন্য মাত্র ৪৫,০০০ টাকা আয় করছিলাম।”
advertisement
এখানেই শেষ নয়, তাঁর আরও অভিযোগ যে, শোয়ের বাজেট ছিল বিশাল। শোয়ের সেটও ছিল জমকালো। অথচ তাঁকেই অত্যন্ত কম পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল। এমনকী তাঁকে যে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল, সেটা হয়তো সেটের প্রপসের সমান।
বরুণের কথায়, “সমস্ত কিছু আমার ছিল। উনি শুধু লাইনগুলো বলছিলেন। (যদিও উনি ১০০ গুণ বেশি টাকা পাচ্ছিলেন) অথচ তিনি ১০০ গুণ ভ্যালু অ্যাড করতে পারছিলেন না। শো-এর শ্যুটিং হয়েছিল যশরাজ স্টুডিও-য়। সেটটা দুর্দান্ত আর দামি ছিল। যদি প্রত্যেক দিন আমি ওখানে ঝোলানো একটা ট্যুইঙ্কলিং বলও চুরি করে আনতাম, আমার ৪৫০০০ টাকা হয়ে যেত। আর ওটাই ছিল প্রথমবার, যখন আমি অমন একটা জমকালো সেট দেখেছি। তত দিনে বিশেষ করে যেহেতু সেন্সরশিপ শুরু হয়েছিল, তার জন্য টেলিভিশনের জন্য স্ট্যান্ড-আপ লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলাম।”
