‘বিসর্জন’-এর পদ্মার স্বীকারোক্তি, কবি জীবনানন্দের সঙ্গে হয়তো চেহারাগত সাদৃশ্য নেই রাহুলের। কিন্তু তাঁর সঙ্গে যখন অভিনয় করলেন, তাঁর মনে হল জীবনানন্দের কবিতার এক নির্বিঘ্ন স্রোত তাঁর অন্তরে প্রবাহিত; সেই পরিচয় থেকেই শিল্পী হিসেবে রাহুলের গভীরতা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। অভিনেতার পাশাপাশি রাহুলের লেখক-সত্ত্বাও উঠে এসেছে জয়ার স্মৃতিচারণে। তাঁর অনুভব, অভিনয়ের মতো কথায়, আদর্শে এবং কলমেও একইরকম ভাবে নির্মেদ, মায়াময়, স্পষ্ট এবং চিরন্তন রাহুল অরুণোদয়। তাঁর স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব মুগ্ধ করেছিল জয়াকে। তাঁর কথায়, ‘আজ সেই অরুণোদয়কে মনে করে যেতে চাই প্রতি মুহূর্ত।’
advertisement
প্রসঙ্গত সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘ঝরা পালক’-এ কবি জীবনানন্দ দাশের স্ত্রী ‘লাবণ্য’র ভূমিকায় অভিনয় করেন জয়া। জীবনানন্দ দাশের বিভিন্ন বয়সের চরিত্রে অভিনয় করেন ব্রাত্য বসু ও রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবির নামকরণ হয় জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’-এর নামে। মননশীল এই ছবিতে অন্যান্য কুশীলবদের পাশাপাশি রাহুলের অভিনয় মন জয় করে সমালোচকদের। সেই সিনেমা থেকেই একটি স্থিরচিত্র নিজের শোকবার্তায় পোস্ট করেছেন জয়া আহসান। সেখানে সাদাকালোয় বিমূর্ত হয়ে আছেন জীবনানন্দ-লাবণ্য তথা রাহুল অরুণোদয়-জয়া।
তবে অভিনেত্রীর পোস্টে আছেন প্রিয়াঙ্কাও। রাহুলের অর্ধাঙ্গিনীর সংগ্রামকে কুর্নিশ জানিয়ে জয়া লিখেছেন, ঝড়-ঝঞ্ঝা সামলানোর জন্য। সন্তান সহজকে আগলে রাখার জন্য। জয়ার কথায়, ‘প্রিয়াঙ্কা, তুমি লড়াই এর সমনাম, আজকের এই ঝড়ঝাপটার দিনে সামলে থেকো , আগলে রেখো সহজকে। অরুণোদয়, তোমায় মনে থাকবে আজীবন।’
