রাহুলের খুব কাছের মানুষের মধ্যে ছিলেন নীলাঞ্জনা শর্মা, অর্থাৎ যীশু সেনগুপ্তের স্ত্রী৷ যীশু-নীলাঞ্জনার সম্পর্ক সম্ভবত আর নেই৷ টলিউডে নিজের পরিচয় নিজেই বানিয়েছেন নীলাঞ্জনা এবং বহু টলি তারকার বন্ধু তিনি৷ রাহুলও ছিলেন তাঁর বন্ধু এবং ভাইয়ের মতো৷ নীলাঞ্জনার বাড়ির কোনও অনুষ্ঠানে রাহুল উপস্থিতি নজরে আসত৷ তা সে সরস্বতী পুজো হোক বা হোলি, নীলাঞ্জনা ও তাঁর মেয়েদের পাশে ছিলেন রাহুল৷ রাহুলের অকাল মৃত্যুতে খুব ভেঙে পড়েছেন সারা সেনগুপ্ত৷ এমন একটি পোস্ট তিনি লিখেছেন যা অনেক গোপন কথা তুলে ধরেছে৷ এবং এটা বোঝা গিয়েছে যে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের কতটা কাছের মানুষ ছিলেন৷
advertisement
সারা লিখেছেন যে সব এত তাড়াতাড়ি এবং হঠাৎ ঘটে গেল যে কিছু লিখে ওঠার সময়টাও যেন তিনি পেলেন না৷ কিছুদিন আগেই তাঁর মায়ের জন্মদিনে তাঁরা একসঙ্গে অনেক আনন্দ করেছেন৷ অনেক ভাল সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন যা কয়েকটি শব্দে বুঝিয়ে ওঠা সম্ভব নয়৷ এবং এরপরই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা তিনি জানালেন তাঁর শোকবার্তায়৷ সারার কথায়, কয়েক বছর আগের কথা হবে, ঘরোয়া আলোচনায় তুমি বুঝিয়েছিলে যে মেনটাল হেল্থ বা মনের খেয়াল রাখা জরুরি৷ যদিও অনেকে বাঁকা চোখে দেখে এই বিষয়কে, তবে তুমি বলেছিলে, সব বয়সের লোকজন যেতে পারে থেরাপিতে ৷ সেটা কিছু বাজে কথা নয়৷ ভাল থাকিস৷ অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে যে রাহুলের উপর কতটা ভরসা করতেন সারা এবং তাঁর কথায় কতটা গুরুত্ব ছিলেন তাঁদের জন্য৷
এরই সঙ্গে রাহুলের গভীর জ্ঞানের কথাও উল্লেখ করেছেন সারা৷ তাঁর কাজ, তাঁর অভিনয়, পডকাস্ট সব কিছুই ছিলে বিশেষ৷ রাহুলকে শেষ বিদায় জানিয়ে সারা লেখেন, ভাল থেকো রাহুল, আশা করি যেখানেই আছো শান্তিতে আছো এবং পডকাস্টে তোমার অতিথি হয়ে আসছে পরীরা!
সারার মা নীলাঞ্জনাও একটি বড় শোকবার্তা লিখেছেন৷ এবং তাঁর তাঁদের পরিবারে সঙ্গে রাহুলের ছবি পোস্ট করেছেন৷
