জিতু লেখেন, ‘এটা কী?? কারোর সাইন নেই! ফিউচারে পলিসি কী হবে? ফিউচারে যদি এইরকম ঘটনা ঘটে, তার জন্য কী কী স্টেপ নেওয়া হবে?কোন কিছুই তো নেই। পূর্ববর্তী যে কেসগুলো জমা হয়ে আছে, তারও কোনো ব্যাখ্যা নেই।
এটা কি? কমেন্ট সেকশন বন্ধ মানে, শুধু আপনারাই বলবেন আর আমরা চুপ করে শুনবো। যে সকল আর্টিস্ট আপনাদের জন্য চা জল বয়ে বয়ে নিয়ে আসে,তাদেরকেও বলতে দেবেন না? শুধুমাত্র আপনাদের হায়ার করা অফিস স্টাফসরা বলবে? যাদের 30-35 হাজার টাকা মাইনে, সন্ধ্যেবেলা ফিসফ্রাই, চিকেন রোল ছাড়া কখনোই টিফিন করে না যারা(সেটাও ফোরাম এর টাকায়) চাকরি তো আমাদের আর্টিস্টদের থেকেও কেউ কেউ পেতে পারতো, যারা বহুদিন ধরে কাজ পাচ্ছেন না আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে। কথা বলার জন্যে,কড়ায় গণ্ডায় হিসেব বুঝে নেবেন তো আমার থেকে পেটে লাথি মেরে বা প্ররোচনা দেবেন মিথ্যে দোষারোপ দিয়ে ভাবমূর্তি নষ্ট করার? আমি প্রস্তুত। অনেক দিন ধরেই তো করে আসছেন। বয়স হয়ে গেছে প্রচুর। কিন্তু স্বভাব যাচ্ছেই না। নতুন পুরনো প্রত্যেক শুভবুদ্ধি সম্পন্ন শিল্পীদের বলছি একত্রিত হোন,ভয় পাবেন না। প্রতিরোধ করুন। জনমত গড়ে তুলুন। ফোরামের বিরুদ্ধে নয়, ফোরামের সংশোধনের জন্য।নির্ভীক হওয়ার জন্য।’
advertisement
এদিকে বুধবার অবশেষে বিবৃতি প্রকাশ করা হল যোজনা সংস্থা ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর পক্ষ থেকে। সেই চিঠিতে বলা হয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের পদ থেকে পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। বিবৃতি আরও লেখা আছে, ‘আমরা আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাই। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে, ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্সকে প্রায়শই মিডিয়া এবং জনসাধারণের আলোচনায় শুধুমাত্র লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের সংস্থা হিসাবে উল্লেখ করা হয়। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে লীনা 2010 সাল থেকে একজন লেখক এবং সৃজনশীল প্রধান হিসাবে কোম্পানির সাথে যুক্ত। তিনি 2011 সালে বোর্ডে যোগ দেন। তবে, তিনি কোনও প্রমোটর বা অপারেশনাল এক্সিকিউটিভ নন। তাঁর ভূমিকা সর্বদা সৃজনশীল দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা শিল্পে সুপরিচিত।’
