রবিবার বিকেলে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শ্যুটিং চলাকালীন তালসারির সমুদ্রে ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাহুল। এখনও তা বিশ্বাস করতে পারছেন রুকমা। নিউজ 18 বাংলা অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘আমি এখনও মানতে পারছি না। গতকাল বিকেলে এক বন্ধু ফোন করে বলে রাহুল দা আর নেই। আমি ওকে বলি ফালতু কথা বলিস না। আমি এক্ষুনি রাহুল দাকে কল করছি। আমি রাহুল দাকে ফোন করি কিন্তু ফোনটা ধরে বাবলু দা( রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ড্রাইভার)। তিনি আমাকে সবটা বলেন। শুনে আমার হাত-পা কাঁপছিল।’
advertisement
‘রাম্পি’- জুটির জনপ্রিয়তা নিয়ে রুকমা বলেন, ‘দুটো কাজ করেছি, এক মেকআপ রুম শেয়ার করেছি কিন্তু কাজের বাইরে রাহুলদার মতো এত ভাল মানুষ আমি খুব কম দেখেছি। কাজের বাইরেও ওঁর সঙ্গে দারুন সম্পর্ক ছিল। খুব ছোট কোনও কাজ করলেও সেটার প্রশংসা করতো। আমি বলতাম এত বাড়িয়ে বলো না তো। সবার সঙ্গে সব বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারতো। এত পড়াশোনা, অধ্যাবসায়, জ্ঞান ছিল রাহুল দার। আমি ওঁর পডকাস্টে গিয়ে মুন খুলে কথা বলতে পেরেছিলাম কারণ ওরঁ সঙ্গে আমি ভীষণ কমর্ফোটেবল ছিলাম। আমাকে ভীষণ স্নেহ করতো, ভালবাসতো। আমি ওঁকে মজার মজার মিম পাঠাতাম, দাদাও আমাকে পাঠাতো।’
আবেগতাড়িত কণ্ঠে অভিনেত্রী বলেন, ’এক সপ্তাহ আগে শেষ কথা হয়েছিল। রাহুলদা বলেছিল আমার শাড়ির ব্রান্ডের জন্য নতুন একটা আইডিয়া ভেবেছে দেখা হলে বলবে। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য তা আর শোনা হল না। আমারাই মানতে পারছি না। জানি না কাকিমা, প্রিয়াঙ্কা দি, সহজ কী করছে।’
