অর্ক লিখেছেন—
রাহুলের সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রসঙ্গে–
রাহুলের সঙ্গে প্রথম দেখা প্রায় ১২ বছর আগে – সম্ভবত ২০১৪ বা ২০১৫ সালের দিকে। সেদিন বোধহয় সায়ন্তিকার জন্মদিন ছিল, হোটেল হিন্দুস্তানের গ্রাউন্ড ফ্লোরের ব্যাঙ্কোয়েট-এ। সেদিন রাহুলের সঙ্গে শুধু দেখা হয়েছিল, কোনো কথা হয়নি। কথা হয়েছিল প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে। আমার ভীষণ অবাক লেগেছিল – একজন হিরোইন, যাকে এত মানুষ চেনে, সে কিনা একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মতো নিজে থেকেই এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলছে! তখন এই ইন্ডাস্ট্রিতে আমাকে প্রায় কেউই চিনত না, হাতে গোনা দু-একজন ছাড়া। তখন সবে সবে কলকাতায় এসেছি। তার আগে যে শহরে থাকতাম, সেখানে বাংলা সিনেমা দেখতে পাওয়াটাই ছিল এক বিশাল ব্যাপার। তাই ওদের সিনেমা আমি তার আগে দেখেছিলাম কিনা মনে পড়ে না, কিন্তু ওরা যে বেশ জনপ্রিয় মুখ, সেটা অবশ্যই জানতাম।
advertisement
রাহুলের সঙ্গে আলাপ হয় তার এক বছর পরে। তখন BCL বলে একটা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হচ্ছিল, সেখানে খেলতে গিয়ে। খুব বেশি আড্ডা হয়নি, তবে ওই দু-একবার দেখা হলে যেমন হয়, তেমনই। তুই-তোকারি সম্পর্ক হয় তার বেশ খানিক পরে – আমার কাছের বন্ধু তথাগতর মাধ্যমে। এটা বোধহয় ২০১৮ বা ২০১৯ সালের দিকে। এই সময় আমি সবে আমার প্রযোজনা সংস্থা খুলেছি। কোনো রকমে এদিক-ওদিক থেকে ধার-টার নিয়ে কিছু টাকা জোগাড় করেছি, আর একটা চ্যানেল থেকে বলেছে, একটা প্রোজেক্ট দিলেও দিতে পারে – তারই ব্যবস্থা চলছে। বাজেটের খুব টানাটানি – খুব নামকরা কোনো কাস্টকে নেওয়ার সামর্থ্য নেই। প্রথম প্রোজেক্ট, তাই চ্যানেলও নিশ্চিত নয় কাজটা ভালোভাবে করতে পারব কিনা। তাই স্বাভাবিক কারণেই বেশি বাজেট দেয়নি। কিন্তু আমাদের তো সেই সীমিত বাজেটের মধ্যেই ভালো করে কাজ করতে হবে। প্রোজেক্ট যদি তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যায়, একে তো তারপর কীভাবে লোনের টাকা ফেরত দেব জানি না, তার ওপর কোনো চ্যানেল আর কোনো কাজই দেবে না।
যাই হোক, এরকমই একদিন রাহুল ফোন করে। আমি তার কিছুদিন আগে ‘খোঁজ’ বলে একটা ছবি বানিয়েছিলাম – বোধহয় সেটা দেখেই জানাতে ফোন করেছিল, বা সেরকমই কিছু একটা হবে। কথায় কথায় বলল, ওর একটা প্রোজেক্ট বেশ কিছুদিন আগে বন্ধ হয়ে গেছে, আর এখন হাতে কোনো স্থায়ী কাজ নেই। আমিও ওকে বলি – আমি একটা নতুন কোম্পানি খুলেছি, এবার ইনডিপেন্ডেন্টলি প্রোডিউস করার কথা ভাবছি। একটা ওয়েব অ্যান্থোলজি বানিয়েছি, আর বোধহয় একটা সিরিয়ালও শুরু হতে পারে। রাহুল সোজাসুজি আমাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, “এই তো, তাহলে আমাকেই নে! কেন, মানাবে না?” এতটা ডিরেক্ট কথা শুনে প্রায় হাসিই পেয়ে গিয়েছিল। আমি বলি, “ভাই, আমার কাছে কি তোকে অ্যাফোর্ড করার মতো বাজেট আছে?” রাহুল বলে, “আমার এখন কাজের দরকার, আর তোর প্রথম সিরিয়াল – কাজটা আমি-ই করব কিন্তু।” তারপর একটা নাম্বার বলে, “এই টাকা দিতে পারবি তো? তাহলেই হবে।” আমি জানতাম, ও সাধারণত এর থেকে অনেক বেশি পারিশ্রমিক নেয়। তার ওপর ওর মতো কাউকে নিতে পারলে প্রোজেক্টের ওজনও অনেকটা বেড়ে যাবে। তাই ও যে অ্যামাউন্ট-টা বলল, তার কাছাকাছি একটা অ্যামাউন্ট-এই আমি রাজি হয়ে যাই। মনে মনে জানতাম, চ্যানেল নিশ্চয়ই খুশিই হবে – রাহুলকে লক করতে পেরেছি শুনে। তবু বললাম, “একদিন সময় দে – চ্যানেলের সঙ্গে একবার কথা বলে নিই। আমাদের দিক থেকে তো লকড।”
এরপর সেদিন সন্ধে পর্যন্ত চ্যানেলে মিটিং চলছিল। হঠাৎ দেখি রাহুল ফোন করছে। ভাবলাম পরে কল ব্যাক করব, কিন্তু রাত হয়ে গেল, আর তারপর ভুলেই গেলাম। পরের দিন দুপুরে মনে পড়তেই ফোন করি। চ্যানেল থেকেও যে সবাই হাসিমুখে রাজি হয়ে গেছে – সেটাও ওকে বলার ছিল। কিন্তু ফোন করতেই বুঝতে পারি, এক অদ্ভুত কাণ্ড হয়ে গেছে। আমি ফোন রাখতেই ওকে ফোন করেছে SVF থেকে, আর যে টাকায় আমার সঙ্গে কথা হয়েছিল তার থেকে অনেকটা বেশি টাকা অফার করেছে ওকে অন্য একটা প্রোজেক্টের জন্য। তাই কী করবে বুঝতে না পেরে আমায় ফোন করছিল। টাকার অঙ্কটা শুনে আমি আর কিছু বলতে পারি না। চ্যানেলের দিদিদের মুখগুলো একবার করে মনে আসে ঠিকই, কিন্তু তারপরই মনে হয় – আমার জন্য প্রতি মাসে এতগুলো করে টাকা লস করবে? তার সঙ্গে আরও একটা পার্সোনাল সুবিধার কথা বলে – সেটা শুনেও বুঝতে পারি যে এটাও আমাদের এখানে কাজ করলে ও পাবে না। রাহুল হয়তো একটু হেসিটেট করছিল, কিন্তু আমি-ই বলে দিই – “এতগুলো টাকা পাচ্ছিস, আর বেশি ভাবিস না, ওটাই করে নে।”
রাহুলের সঙ্গে প্রকৃত অর্থে বন্ধুত্ব বোধহয় এর পর থেকেই শুরু।
দুর্ভাগ্যবশতঃ SVF-এর সেই প্রোজেক্টটা কোনো কারণে খুব বেশী দিন চলে না আর আমাদের শো টা চলে যায়। এই নিয়ে অবশ্য পরে মজার ছলেই অনেকবার আফসোসও করেছে ও – আর আমিও “দেখ কেমন লাগে” গোছের tease করে গেছি।
রাহুলের সঙ্গে আমার আর কোনোদিন সরাসরি কাজ করা হয়নি। মাঝে মাঝেই কাজ নিয়ে কথা হত যদিও। যখন প্রথম হিন্দিতে কাজ শুরু করেছি – হঠাৎ একদিন লিখল, “আমার হিন্দি কিন্তু খুব ভালো” – আমি শুধু হো হো করে হাসার emoji দিলাম! কেন, কে জানে? হয়তো ধরে নিয়েছিলাম আমার মতো ওর হিন্দিও নিশ্চই লালমোহন বাবুর মতোই হবে!
“দেশের মাটি”-তে কাজ অফার হওয়ার সময়েও ওর সঙ্গে আলাদা করে ফোনে কথা হয়েছিল। এর আগে ও শুধু হিরোর চরিত্র করত, এই প্রথম সাপোর্টিং চরিত্র। হিরোদের যেমন মিনিমাম গ্যারান্টি মাসিক কনট্র্যাক্ট হয়, তাতে পারিশ্রমিক অনেকটাই গ্যারান্টিড থাকে। চরিত্রাভিনেতা হিসেবে কাজ করাটা ওর জন্য খানিকটা কালচারাল শক। প্রোডাকশন থেকে বোধহয় জানিয়েছিল, ওই চরিত্রের জন্য মিনিমাম গ্যারান্টি করা যাবে না। আমি ঠিক কী বলেছিলাম, মনে নেই, কিন্তু কাজটা ও ফাইনালি করেছিল।
যাইহোক, রাহুলের কথায় ফিরি। আপনারা অনেকেই জানেন, ২০২১-২২ নাগাদ ও নিজের ছবি বানানোর জন্য তখন মরিয়া হয়ে প্রডিউসারদের কাছে ঘুরছে। ও জানত – আমাদের কোম্পানি ছবি প্রডিউস করে না, তাই কোনোদিন সরাসরি প্রডিউস করার কথা বলে নি, কিন্তু বলত তোর হেল্প লাগবে। ওর আর অনিন্দ্য (সাঁই)-এর সাথে দেখা করে আমি একবার বলেছিলাম, ডেসপারেট হয়ে যা বাজেট পাচ্ছিস তাতেই ছবি বানিয়ে ফেলিস না। পরে কম বাজেটে বানানোর জন্য কেউ বেশি নম্বর দেবে না – আর যদি ঠিক মতো বানাতে না পারিস, ক’দিন পরে লোকে হয়তো ভুলে যাবে, কিন্তু নিজের মনে সারাজীবন অনুশোচনা থেকে যাবে। ওরা হয়তো ভেবেছিল ডিসকারেজ করছি। সত্যিই ডিসকারেজ করেছিলাম, কিন্তু কেন করেছিলাম সেটা হয়তো সেদিন ও বোঝেনি।
রাহুল কিভাবে কনভারসেসান শুরু করত জানেন? “দুটো খবর আছে” “একটা ভালো একটা খারাপ, কোনটা আগে শুনবি?” আমি বললাম ভালোটাই আগে বল। ও বলল “প্রিয়াঙ্কা আর আমি – we are getting back together” আমি বললাম “এ তো দারুণ খবর!” রাহুলের সাথে ওর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুবই কম কথা হতো, কিন্তু মাঝে মাঝে ও নিজের থেকে বললে আন্দাজ করতে পারতাম সহজকে কতটা মিস করে। তাই এর থেকে ভালো খবর আর কী হতে পারে?
খারাপ খবরটাও ও নিজে থেকেই বলল – “প্রডিউসার বলেছে ছবিটা আর হবে না” আমি বললাম “কি বলছিস? আবার ডেট পিছিয়েছে?” ও বলল – “না না, আর পিছোনোর কিছু নেই। ছবিটা আর হচ্ছে না। বলে দিয়েছে।”
তার পর আরও বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। ফোন রাখার পর নিজের মনেই প্রশ্ন আসে – জীবনের সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট সাকসেস আর ফেলিওর যদি একই দিনে আসে, সেটা কি একে অপরের পরিপূরক হতে পারে?
“সহজ কথার” কনসেপ্টটা ভাতৃসম অনিন্দ্যের থেকে আগেই শুনেছিলাম। রাহুল পডকাস্ট করবে – আমার এই ব্যাপারটা খুব মজার লেগেছিল। নিজের থেকেই জানিয়েছিলাম ইংরেজিতে “katha” নয় “kotha” লেখ। সার্চ অ্যালগরিদম আরও বেটার হবে তাহলে। লোকে তো “kotha” বলেই টাইপ করবে। ও বাবা! কথা বলতে আবার অন্য ‘কথা’ মাথায় এল। এটা আবার খুবই পার্সোনাল একটা pun – দু-একজন বাদে আর কেউ বুঝবে না 🙂
এই ভোলে বাবা ধারাবাহিকটি জয়েন করার কিছুদিন আগে অবধি প্রফেশনালি রাহুল একটু কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। যখন যোগাযোগ করে, তখন আমাদের একটা নতুন প্রোজেক্ট-এর কাস্টিং চলছিল। হিরোর চরিত্রের জন্য একজন অভিনেতাকে প্রেজেন্ট করা হয়েছিল আর চ্যানেল-ও মোটামুটি কনফার্ম করে দিয়েছে। এখন আমাদের এখানে কাস্টিং হওয়া তো একটু ডিফিকাল্ট। এদিকে আমি একদিন আগেই শুনেছি, ভোলে বাবা ধারাবাহিকে ক্যারেক্টার লিপ হচ্ছে। ওই প্রোজেক্ট-এর হিরো নীল (আমরা জিতু বলে ডাকি), প্রোজেক্ট জয়েন করার আগে বম্বেতে আমার প্রতিবেশী ছিল। সে ফোন করে বলল – ” দাদা, আমার এক্স-রুমমেট-কে বলে রেখেছি, নেক্সট মাসে ফেরত যাচ্ছি লোখণ্ডওয়ালা, ভোলে বাবা-তে আমাদের রোল শেষ।”
রাহুলের সাথে কথা বলতে বলতে মনে পড়ল সে কথা। আমি বললাম শিগগির মায়ের সাথে একবার যোগাযোগ কর – ভোলে বাবা-তে বোধহয় লিপ হবে। রাহুল বোধহয় কথাটা শেষ হতেই দেয় না – সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করে।
ওর যে কাস্টিং হয়েছে – এটা জানতে পারি পরে। দুর্ঘটনা ঘটার জাস্ট কিছুদিন আগে। ফোন করে বলল – “একটাও এপিসোড দেখলি?” আমি অফিস-এ ছিলাম, কনটেক্সট বুঝতে না পেরে অবাক হলাম। আসলে ভুলেই গেছিলাম যে ভোলে বাবা নিয়ে ওর সাথে কোনো কথা হয়েছিল। ও বলল – “তোর জন্য কাজটা হলো আর তুই-ই দেখলি না? খুব মজার ক্যারেক্টার – জানি তুই এপিসোডস দেখিস না, কিন্তু এটা দেখিস, দেখলে বুঝবি কেন বলছি।”
আমি জানি, যে ও জানে, যে আমার বলার, বা না বলার জন্য ওর কাজটা হয়নি। কিন্তু ওর সাথে এই আর্গুমেন্ট- এ গিয়ে যে জিততে পারব না, সেটা এতদিনে বুঝে গেছি, তাই এই নিয়ে আর কথা বাড়াইনি।
শুনলাম একসাথে অনেকগুলো কাজ নাকি করে ফেলেছে লাস্ট কয়েকদিনের মধ্যে। বলল – “ভাই যখন কাজ থাকে না তখন একদমই থাকেই না, আর এখন দেখ এত কাজ – জাস্ট নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় নেই।” আমরা যারা অভিনয় বা তার অ্যাসোসিয়েটেড প্রফেশন-এ আছি তারা সবাই জানি, এই কমপ্লেইন্ট-টা আসলে কতটা স্যাটিসফাইং!
আমি সেদিন কলকাতায়, প্ল্যান করলাম মুভিটোনে দেখা করতে যাব – বলল ৪টে অবধি আছি, কখন আসবি? আমি বললাম জানাচ্ছি। সেই জানানো আর হয়নি। আসলে মানুষ থাকলে তো কখনো বোঝা যায় না যে এর পর আবার কখনো দেখা নাও হতে পারে। ভেবেছিলাম হয়তো নেক্সট বার এসে দেখা করব। দেখা কিন্তু সেই নেক্সট বারেই হলো, কেওড়াতলা শ্মশানে। আমি এক কোণায় দাঁড়িয়ে থাকলাম – আর ও আমাদের দেখতেও পেল না। না কি হয়তো দেখতে পেল, কি জানি!
শ্যুটিং-এর সময় নিরাপত্তা–
আমি জানি ওর পরিবারের মানুষ জানতে চায় এত স্টেটমেন্ট-এর মধ্যে কোনটা তারা বিশ্বাস করবেন, কি সেফটি মেজারস ছিল, আমার ধারণা সেটা জানতে চাওয়ার পূর্ণ অধিকার ওর পরিবার, বন্ধু বান্ধবদের রয়েছে। তাই প্রোডাকশন কোম্পানি-র থেকে জানতে চাওয়া বা পূর্ণ তদন্তের দাবি করা বা পুলিশ-এর থেকে জানতে চাওয়া – এর সবকটাই স্বাভাবিক এবং যথেষ্ট ন্যায্য।
যদি অবহেলার ১% ও সম্ভাবনা থাকে, তার তদন্ত হওয়া উচিত, প্রতিবাদ হওয়া উচিত, পদযাত্রাও হওয়া উচিত। কিন্তু আপনাদের conscience-কে একবার জিজ্ঞেস করুন – যাদের প্রথম সারিতে রেখে আপনারা হাঁটলেন, তাদের দেখতে পেলে রাহুল নিজে লজ্জিত হতো না তো?
ফেডারেশন আর EIMPA মিলে সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি নিয়ে গাইডলাইনস তৈরি করতে চায়, সাধুবাদ জানাই – নিশ্চয়ই সাধ্য মতো সহযোগিতা করব। বছর খানেক আগে যে লাইটম্যান অন জব ইলেকট্রিফায়েড হয়ে মারা গেছিল, বা যে ছাদ থেকে পড়ে গেছিল লাইট বাঁধতে গিয়ে, তারা-ও আমাদের ভাই। তাদের নিয়ে হয়তো নিউজ হয়নি, কিন্তু তাদেরও পরিবার আছে। প্রতিবাদ পার্সোনাল এজেন্ডা হয়ে গিয়ে দুজন মানুষের জীবনের দামের মধ্যে যাতে ইমপার্শিয়ালিটি ক্রিয়েট না করে, সেটা এনশিওর করা-ও আমাদের সবারই কর্তব্য।
সহজকে নিয়ে লিখেছেন—
সব শেষ এ সহজের জন্য বলি – সহজ, তুমি আমাকে কখনও দেখোনি কিন্তু তুমি আমার খুব আদরের। আমি জানি তুমি অলরেডি এক ঝটকায় অনেকটা বড় হয়ে গেছো, আরও বড় যখন হবে তখন নিশ্চয়ই পুরো বিষয়টা বুঝবে। কারুর কথা শুনে নয়, নিজের বিচার বুদ্ধি দিয়েই বুঝবে। তখন হয়তো বুঝবে এই আঙ্কলটা তোমার বাবাকে আরো অনেকের মতনই ভালবাসত।
অনেক আদর।
