সম্প্রতি ‘স্ট্রেট আপ উইথ শ্রী’-পডকাস্টে লেখিকা-পডকাস্টার শ্রীময়ী কুণ্ডুকে নিজের একরাশ অভিমানের কথা জানিয়েছেন অপর্ণা সেন৷ পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন পরিচালক। কোভিডের সময় থেকেই টলিউডের বক্স অফিসে ধস নেমেছে৷ তার মতে, টেলি ইন্ডাস্ট্রি হয়তো কোনওমতে টিকে যাবে, কিন্তু মেগা ধারাবাহিক দর্শকদের রুচি নষ্ট করে দিচ্ছে৷ তিনি আরও বলেন, আমি কাদের জন্য ছবি বানাব? দর্শক কোথায়? সবাই তো এখন টিভি নিয়ে ব্যস্ত, তার আর ছবি বানানোর আর কোনও উৎসাহ পাচ্ছি না৷ অপর্না সেনের এই মন্তব্যের পরই জোর চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ তবে কি সত্যিই চলচ্চিত্র থেকে অবসর নিচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী৷
advertisement
পরিচালক অভিনেত্রীর শেষ পরিচালিত ছবি ‘দ্য ব়্যাপিস্ট’নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন৷ বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জিতলেও,কবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবেএই ছবি, তা তিনি জানেন না। আক্ষেপের সুরে তিনি আরও বলেন, আমার অনেক কিছু বলার আছে, কিন্তু শুনবে কে? হয়তো ছোট অংশের দর্শক আছে, কিন্তু সেটা কি যথেষ্ঠ?
আরও পড়ুন-মাত্র ১৫ বছরে পর্ন সাইটে জাহ্নবী ! বন্ধুদের ফোনে নিজেকে দেখেই শিউরে ওঠেন শ্রীদেবী কন্যা, তারপরই…
১৯৬১ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে সত্যজিৎ রায়ের ‘তিন কন্যা’ (সমাপ্তি) ছবির মাধ্যমে মৃন্ময়ী চরিত্রে অভিনয় জীবনের শুরু অপর্ণা সেনের। তারপরই অভিনেত্রী হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা পানতিনি। ১৯৮১ সালে ‘৩৬ চৌরঙ্গী লেন’ দিয়ে পরিচালনা শুরু, তারপরই জিতে নেন সেরা পরিচালকের জাতীয় পুরস্কার। ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আইয়ার’, ‘যুগান্ত’, পরমা’, ‘পারমিতা’‘দ্য জাপানিজ ওয়াইফ’,‘সোনাটা’ ‘গয়নার বাক্স’- প্রত্যেকটি অনবদ্য ছবি তিনি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন৷
সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেনের হাত ধরে যেমন একাধিক কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করেছেন, তেমনই পরিচালকের আসনেও তিনি সকলের মন জয় করে নিয়েছেন৷ ওয়ার্কফ্রন্টের কথা বলতে গেলে খুব শীঘ্রই অভিনেত্রী হিসেবে অপর্না সেনকে দেখা যাবে তাঁর মেয়ে কঙ্কনা সেন শর্মার ওয়েব সিরিজ ‘ওয়েলকাম টু খোয়া মহল’-এ।
