সঙ্গীতভবনের শিক্ষায় রবীন্দ্রসঙ্গীত পেয়েছে এক অনন্য মাধুর্য। তাঁর কণ্ঠের গভীরতা রবীন্দ্রসঙ্গীতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। ১৯৯৭ সালে তিনি সম্মানিত হন সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কারে। সম্মানিত হন ‘টেগোর ফেলো সম্মান’-এ। শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘অর্ঘ্য় সেনের চলে যাওয়া বাংলা সংস্কৃতি দুনিয়ার এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি, এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা’।
advertisement
১৯৩৫ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের ফরিদপুরে জন্ম তাঁর। বাবা হেমেন্দ্রকুমার সেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক, মা বিন্দুদেবী। মায়ের কাছ থেকেই সঙ্গীতের প্রথম শিক্ষা। বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল থেকে ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ। এরপর সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি। ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটে কর্মজীবন। তবে কোনওকিছুর মাঝেই গানকে ভোলেননি তিনি।ছাত্রজীবনেই তাঁর সঙ্গীতচর্তার সূচনা। পঙ্কজকুমার মল্লিকের সঙ্গীতশিক্ষা অনুপ্রাণিত করে তাঁকে।দেবব্রত বিশ্বাসের সান্নিধ্যে এসেছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া সঙ্গীত জগতে।
