লেখেন, ‘২০০৭ সালে যখন প্রথম ক্যামেরা চালু হয়েছিল আর পৃথিবীটাকে মনে হচ্ছিল নতুন আর ভয়ংকরভাবে বিশাল, তুমি তো আগেই ছিলে, হাসছিলে। অসম্ভবকে আপন করে তুলছিলে, বাড়ির মতো করে। তুমি শুধু অভিনয়ই করতে না। তুমি সবকিছুতে মিশে যেতে, প্রতিটি ঘর, প্রতিটি চরিত্র, প্রতিটি বন্ধুত্বে। মানুষের এমনই হওয়া উচিত। নিষ্ঠুরতা ছাড়া বুদ্ধিদীপ্ত। দূরত্ব ছাড়া মেধাবী। বিরলতম মানুষ। আমার কাছে এখনও বলার মতো কোনো শব্দ নেই। শুধু এই অর্থহীন নীরবতা, আমার বুকের ভিতর বসে আছে কোনও অসমাপ্ত কিছুর মতো। যেন কোনও দৃশ্য খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল, কোনও সতর্কবার্তা ছাড়াই, সঠিক বিদায় না জানিয়েই। এই নতুন পৃথিবীতে তুমিই ছিলে আমার প্রথম বন্ধু। এই ধরনের মানুষ চলে যায় না। শান্তিতে ঘুমাও।’
তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী জলে ডুবেই অভিনেতার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনা জল পাওয়া গেছে। এছাড়াও খাদ্যনালি, শ্বাসনালি ও পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, অল্প সময় নয়, বরং দীর্ঘ সময় জলের নীচে থাকলে এমনটা ঘটে। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিনেতা অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন। রবিবার রাতে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, ‘বড় কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি৷ আমাদের কিছুটা সময় দিতে অনুরোধ করছি সকলকে৷ সন্তান রয়েছে, মা এখনও রয়েছেন এবং গোটা পরিবারের স্বার্থে আমাদের ব্যক্তিগত সময় এবং স্বাধীনতা রাখতে সাহায্য করুন৷’ তাঁর ভক্ত এবং সংবাদমাধ্যমের কাছেও একই অনুরোধ রাখলেন রাহুলের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার৷
