ছবিটি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তির কথা থাকলেও, এর বিষয়বস্তু নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ছবিতে ভারতীয় মুসলিমদের উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কেরলকে নেতিবাচকভাবে দেখানো হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে জীববিজ্ঞানী শ্রীদেব নাম্বূদিরি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়ে ছবির মুক্তি ও প্রদর্শন স্থগিতের দাবি করেন।
আরও পড়ুনঃ যুবসাথী আবেদনে বড় পরিবর্তন! এখন মোবাইল অ্যাপ থেকেই হবে ফর্ম পূরণ! খুব সহজ, জেনে নিন এখনই
advertisement
শুনানিতে বিচারপতি বেচু কুরিয়ান থমাস বলেন, “শুনানি চলাকালীন ছবিটি রিলিজ করা যাবে না, আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করুন।” আগামীকাল সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এবং সেখানেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজনে তাঁরা ছবিটি নিজেরাই দেখবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণ করেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য পরিচিত একটি রাজ্যকে নেতিবাচকভাবে দেখানোর বিষয়টি বিচারিকভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি। এই মামলায় তিনটি পৃথক আবেদন একসঙ্গে শোনা হচ্ছে, যেখানে ছবির মুক্তি স্থগিতের পাশাপাশি সিবিএফসি-র শংসাপত্র বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, ছবিটি ‘বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায়’ তৈরি বলে প্রচার করা হলেও, এর গল্পের সঙ্গে কেরলের সরাসরি সংযোগ নেই, তবু শিরোনামে রাজ্যের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।
ছবির গল্পে ধর্মান্তরকরণ ও জবরদস্তির মতো সংবেদনশীল বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যার পটভূমি কেরল ছাড়াও রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। মুক্তির আগেই একাধিক আইনি জটিলতায় জড়ানো এই ছবি নিয়ে এখন নজর রয়েছে আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে।
