
২০২৫ সালে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলা হয়। সেসময় বিশ্ব দেখেছে কীভাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দুদেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করে।' এমনকী ট্রাম্পের দাবিতে মান্যতা দিয়ে বলা হয়েছে, 'মার্কিন প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপেই দুদেশের মধ্যে পারমাণবিক উত্তেজনা ঠেকানো গিয়েছে। এখন আমরা লক্ষ্য করেছি, ভারত-পাকিস্তান কেউই এখন আর সংঘাতে জড়াতে চায় না। তবে পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আবার যদি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো কোনও হামলা চালায় তাহলে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হবে।' শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, গোয়েন্দা রিপোর্টে আফগানিস্তানের সঙ্গেও পাকিস্তানের লড়াইয়ের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের কথাও। জানানো হয়েছে, জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস-খোরাসান দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও সক্রিয় রয়েছে। তবে তালিবান নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে উন্নত করেছে। আইএস-খোরাসানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে তালিবান।