গতকালই তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন এই বিয়ে বেআইনি। ‘মজনু’, ‘মাচো মস্তান’, ‘লে হালুয়া লে’, ‘জামাই ৪২০’, ‘জিও পাগলা’, ‘ভালবাসা ভালবাসা’, ‘জামাই বদল’, ‘মেহের আলি’, থাই কারির মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ২০২০ সালের পর আর বড়পর্দায় দেখা যায়নি অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আচমকা তিনি শিরোনামে আসেন দ্বিতীয়বার বিয়ে করে। নিজেই বিয়ের বিভিন্ন ছবি ভাগ করে নেন সমাজমাধ্যমে। পাত্রীর নাম ঋতিকা গিরি। তারপরেই শুরু হয় বিতর্ক। মারাত্মক অভিযোগ করেন হিরণের প্রাক্তন স্ত্রী অনিন্দিতা। জানান, ‘২০০০ সালে বিয়ে হয়েছে। গত বছর ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু আইনত কোনও ডিভোর্স হয়নি এবং ডিভোর্সের মামলাও চলছে না। সেক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রী থাকতে আইন অনুযায়ী কী করে হিরণ আরেকবার বিয়ে করেন?’ তাদের ১৯ বছরের একটা মেয়ে রয়েছে। মেয়ের থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী মাত্র দুই বছরের বড়।অভিনেতা বিধায়ক হিরণের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে চলেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়।
advertisement
এর মাঝে মুখ খুলেছেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকাও। তিনি বলেন, ‘এই বিয়ে আমরা অনেক আগেই করেছি, গত পাঁচ বছর একসঙ্গে আছি।’ তাঁর দাবি, হিরণের প্রথম স্ত্রী বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন। পাশাপাশিও এও জানান, তাঁকে ডিভোর্স নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তাঁর কথায়, ‘এই বিয়ে মানসিক পরিতৃপ্তির জন্য। অগ্নিকে সাক্ষী রেখে হয়েছে। বেনারসের মতো পবিত্র জায়গায়, মা গঙ্গাকে সাক্ষী রেখে। এখানে শো-অফ ছিল না, শুধু মনের ভক্তি ছিল।’
এই সব কিছুর মাঝে কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো ভাগ করে নিয়েছেন হিরণের কন্যা নিয়াসা চট্টোপাধ্যায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে মা অনিন্দিতা পোষ্যের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন নিয়াসা। নিয়াসা লেখেন, “বহুদিন হল আমরা দু’জনেই আছি। ভালবাসা দিয়ে প্রতিটা ভূমিকা পালন করছ তুমি। তুমিই আমার মা, তুমিই বাবা। তুমি আমার পথপ্রদর্শক। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। তুমিই আমার হিরো মা।” এখন অভিনেতা-বিধায়ককে নিয়ে কতটা জলঘোলা হয় সেটাই দেখার। তবে হিরণ নিজে এ বিষয়ে মুখ খোলেননি।
