দেবলীনা প্রথমেই স্পষ্ট করে দেন, অনেকেই তাঁকে প্রশ্ন করেছেন যে, সম্পর্কে অশান্তি থাকলে, কেন তিনি তা ছেড়ে বেরিয়ে আসেননি? সঙ্গীতশিল্পীর কথায়, ‘‘এখন মনে হচ্ছে বেঁচে গিয়ে যেন ভুল করেছি ৷ ৭৮, ৬৮ না ৮০ ক’টা ওষুধ খেয়েছি, সেটা নিয়েই চর্চা ৷ আমাদের প্রেম করে বিয়ে। প্রবাহর তরফ থেকে কী ছিল জানি না, আমার তরফ থেকে তো ভালবাসা ছিল। পাগলের মতো ভালবেসেছি প্রবাহকে। ছেড়ে বেরিয়ে আসা এতটা সহজ নয়।’’ পাশাপাশি দেবলীনা তুলে ধরেন ছোট বড় বিভিন্ন ঘটনার কথা, যা হয়তো তিনি ভ্লগে দেখাতে চাননি এতদিন। দেবলীনাও বলেন যে, অগাস্ট মাসে তাঁকে ও প্রবাহকে আলাদা হয়ে যেতে বাধ্য করেছিলেন তাঁর শাশুড়িমা। কোনও আইনি পরামর্শ নেওয়া হয়নি, প্রবাহ ও দেবলীনার থেকে আলাদাই থাকতে চেয়েছিলেন বলে দাবি সঙ্গীতশিল্পীর।
advertisement
আরও পড়ুন– নারীর ক্ষমতায়ণ, সঙ্গে ধ্রুপদী স্বাদে আধুনিক ছোঁয়া, শহর মেতেছে ‘সরষে’-র রূপে আর রূপকে
শুধু দেবলীনার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা নিয়ে নয়, আর্থিক কারণেও দেবলীনাকে শ্বশুরবাড়িতে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়তে হত বলে জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গীতশিল্পী জানিয়েছেন, তিনি যে আর্থিকভাবে তাঁর বাবা মা-কে সাহায্য করতেন, তা পছন্দ ছিল না তাঁর শ্বশুরবাড়ির কারোরই। দেবলীনা জানান, এখন তাঁর শ্বশুরবাড়ির সবাই তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করছেন, তবে তাঁর কাছে যাবতীয় প্রমাণ রয়েছে। তিনি গোটাটারই ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন। দেবলীনা আরও বলেছেন, তিনি যখন লাইভ করেছেন, সেটা দেখেও প্রবাহদের বাড়ির পক্ষ থেকে কোনও ফোন করা হয়নি। তবে দেবলীনা এ কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি সম্পর্ক ভাঙায় বিশ্বাসী নন। তিনি হাসপাতালে জ্ঞান হওয়ার পরেও প্রবাহকেই খুঁজেছেন। দেবলীনা বলেন, ‘‘আমার টাকাপয়সা লাগবে না, খোরপোশ লাগবে না.. আমি শুধু অপেক্ষা করছি প্রবাহর একটা ফোনের, একটা মেসেজও আসেনি। আমি বোঝাতে পারছি না আমি প্রবাহকে কতটা ভালবাসি…৷’’
