জ্যাকির বাড়ির অন্দরমহল দেখেই নিজের শোয়ের কুক দিলীপকে মজাচ্ছলে ফারহা বলেন, ‘হামকো ভি প্রোডিউসার বননা হ্যায় (আমিও প্রযোজক হতে চাই)!’ তাঁর এই কথার জবাবে হেসে জ্যাকি বলেন যে, ‘প্রযোজক হতে হবে না। রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা করুন।’
advertisement
ফারহাও কিন্তু দমবার পাত্রী নন। তিনিও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মজা করে বলেন, ‘সরি, হ্যাঁ আমি প্রযোজক হতে চাই না। কিন্তু রিয়েল এস্টেটে ট্রাই করতে চাই। কারণ আগে ওঁদের ১০-তলা ছিল, কিন্তু প্রযোজক হওয়ার পর শুধু ৫-তলাই টিকে রয়েছে।’ এই কথা শুনে ফারহার শোয়ের কলাকুশলী এমনকী জ্যাকির অভিনেত্রী স্ত্রী রাকুলও হাসিতে ফেটে পড়েন।
আসলে এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল যে, জ্যাকির শেষ বড় ব্যানারের ছবি ছিল ‘বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা’। সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অক্ষয় কুমার, টাইগার শ্রফ এবং পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের মতো তারকারা। তবে বক্স অফিসে সেই ছবি ভাল চলেনি। বলা ভাল, ৩৫০ কোটি টাকার বিশাল বাজেটের এই ছবি একপ্রকার মুখ থুবড়েই পড়েছে বক্স অফিসে। এত বড় বাজেটের এই ছবি সারা বিশ্বে সংগ্রহ করেছে মাত্র ১১১.৫ কোটি টাকা।
সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে যে, প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ঋণের বোঝা লাঘব করার জন্য মুম্বইয়ে নিজেদের সাত-তলার অফিস বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে ভাগনানি পরিবার। ওই একই ভ্লগে নিজের বাবা বাসু ভাগনানির কেরিয়ারের উত্থান-পতনের দিকটাও তুলে ধরলেন জ্যাকি। জানালেন, কীভাবে তাঁর বাবা কেরিয়ারে ব্যর্থতার মুখ দেখেছেন, আর কীভাবেই বা তিনি সেই ব্যর্থতাকে পিছনে ফেলে ঘুরেও দাঁড়িয়েছেন।
অভিনেতার কথায়, ‘এক সময় বাবাকে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে শাড়ি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে… বহুবার ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছে তাঁকে। তবে তিনি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়ে সব কিছু আবারও নতুন করে শুরু করেছেন। আসলে বাবার মতে, ‘দ্য শো মাস্ট গো অন’।’
