উত্তর কলকাতার মানিকতলা আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী এবং দলের রাজ্য সংগঠনের সহ-সভাপতি তাপস রায়কে। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম বড় রাজনৈতিক ‘প্রাপ্তি’ এটি তাপস রায়ের ঝুলিতে। তবে এই লড়াই মোটেও সহজ নয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রয়াত প্রভাবশালী নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডেকে। স্থানীয় সংগঠন এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রভাবকে হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই প্রচারে নেমে পড়েছেন তিনি।ফলে মানিকতলা কেন্দ্র এখন কার্যত হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের সাক্ষী হতে চলেছে।
advertisement
কিনতে হয় না, মাটির নীচেই গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে যে ভাবে রান্না করছেন এই পরিবার, জোরহাটে চমক
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, মাথাভাঙা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে। হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপির মুখ রেখা পাত্র। নোয়াপাড়া থেকে প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং। সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে। ব্যারাকপুরে প্রার্থী করা হয়েছে কৌস্তভ বাগচিকে। টালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী এবং যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী শর্বরী মুখোপাধ্যায়।
এদিকে কলকাতার মানিকতলা কেন্দ্রের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী তাপস রায়। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হয়েছে শ্রেয়া পাণ্ডের। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোরদার জনসংযোগ এবং প্রচার।
তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচারে নেমেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এলাকার মানুষের ভালবাসা ও সমর্থনের উপরই তাঁর আস্থা রয়েছে। মানুষের পাশে থেকে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বলেও দাবি করেছেন।
তবে এই লড়াই মোটেও সহজ নয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই দুই পক্ষই জোরকদমে জনসংযোগ শুরু করেছে। তাপস রায় নিজের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে পৌঁছতে চাইছেন। অন্যদিকে, শ্রেয়া পাণ্ডে আবেগ, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং এলাকার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগকে ভরসা করে প্রচার চালাচ্ছেন।
অন্যদিকে, বিজেপির তরফেও তাপস রায়কে সামনে রেখে প্রচার তীব্র করা হয়েছে। দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে মানিকতলায় তৈরি হয়েছে টানটান রাজনৈতিক উত্তেজনা। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার, তরজা এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের আবহ।
