সেক্ষেত্রে কী করণীয়? ভোটারদের নাম বাদ গেলে, থাকবে কি পুনরায় বিবেচনার আবেদন? বাদ যাওয়া ভোটাররা কি জানতে পারবেন, তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার কারণ? এমন একাধিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার প্রক্রিয়া চলল এদিন আদালতে৷
রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে আর্জি জানান, ২৪ ফেব্রুয়ারির নির্দেশে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করার কথা বলেছিল আদালত। কিন্তু এখনও সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয়নি বলে আদালতে জানান কল্যাণ৷ তিনি বলেন, ‘‘আমার নাম বাদ গেলে, আমাকে যদি কারণ না দর্শানো না হয় তাহলে আমি কীভাবে আবেদন করব।’’
advertisement
কল্যাণের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘জুডিশিয়াল অফিসার যদি না বলেন, তাহলে তিনি ভোট দেবেন না৷’’ তখন কল্যাণ সওয়াল করেন, ‘‘তাহলে পুনর্বিবেচনার অধিকার থাকবে না?’’
আদালত তখন জানায়, ‘‘আপিলের জন্য ২৪ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের ক্ষেত্রে আমরা বলেছিলাম জুডিশিয়াল অফিসারদের দেওয়া নির্দেশের কোনও আপিল করার সুযোগ থাকবে না। আমরা শুনানির পর বলছি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে একটি অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল/ ট্রাইবুনালস গঠন করবেন। যেখানে ভিন রাজ্যের বিচারপতিরাও থাকতে পারবেন। উভয়পক্ষকেই আবেদন করার নির্দেশ করা হচ্ছে। সেই ট্রাইব্যুনালের নেওয়া সিদ্ধান্তকে মানবে কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি এবং বিচারপতিদের সাম্মানিক এবং অন্য সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে৷’’ আদালত জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার সমস্ত খরচ বহন করবে কমিশন৷ এক্ষেত্রে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি জানান, ‘‘ কাজটি যেহেতু বিশাল পরিমাণে। তাই নাম খারিজের সময় কারণ প্রকাশ করতে হবে৷’’ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘ডে বিফোর ভোটিং (ভোটের আগের দিন ) যদি নাম চূড়ান্ত হয়, তাহলে ভোট দিতে পারবেন৷ ভোটিংয়ের দিন পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। আমরা সময় মতো বাকি যাদের নাম থাকবে সেগুলো কনসিডার করব৷’’
