বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় অ্যাডজুডিকেশন প্রায় শেষ, ১৭ বিচারককে অন্য জেলায় পাঠাচ্ছে হাইকোর্ট!
রান্নার গ্যাসের দাম ও সরবরাহ নিয়ে রাজ্যে যে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি। তাঁর দাবি, এই সমস্যা শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বেই জ্বালানি পরিস্থিতি চাপে রয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক ইস্যু করে তোলার চেষ্টা করছে কিছু দল, তবে মানুষ সেই রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করবে।
advertisement
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এসআইআর প্রসঙ্গেও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অনাচারের কারণেই এসআইআর প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। তিনি বলেন, সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কলকাতায় এসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন এবং তিনি বুঝতে পারবেন রাজ্যে কী ধরনের পরিস্থিতি রয়েছে। বিজেপির দাবি, দলের জমা দেওয়া সমস্ত ফর্ম সেভেন গ্রহণ করতে হবে এবং নির্বাচন কমিশনকে ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার এমনভাবে আচরণ করছে যেন বাংলা একটি পৃথক দেশ এবং মুখ্যমন্ত্রীই এখানকার ‘প্রধানমন্ত্রী’। রাষ্ট্রপতি রাজ্যে এলে তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তৃণমূল নেতাদের কিছু মন্তব্যকে তিনি লজ্জাজনক বলেও উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতির সফরের দিন রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না।
রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “সরকার রাজ্যকে বারুদের স্তূপের উপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।” কৃষকদের দুরবস্থার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, আলু চাষিরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না এবং বহু কৃষক চরম সঙ্কটে রয়েছেন। অথচ মুখ্যমন্ত্রী দাবি করছেন কৃষকদের আয় বেড়েছে—এই দাবির সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই বলেই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা। তাঁর মতে, যদি সত্যিই আয় বেড়ে থাকে, তাহলে এত মানুষ কেন ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যাচ্ছেন, সেই প্রশ্নও ওঠে।
আগামীকাল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা নিয়েও কথা বলেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, সেই সভাকে ঘিরে দলের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে এবং রাজ্যের মানুষও সভার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।
