১) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- ভবানীপুর
বাংলার রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল সুপ্রিমো Bhabanipur থেকে লড়ছেন।
২০১১ সাল থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বামেদের ৩৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন, বিজেপির বিরুদ্ধে সব নির্বাচনেই এখনও ঝড় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
তার আসন কেন গুরুত্বপূর্ণ:
ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রেসটিজ ফাইট। ভবানীপুর নিয়ে যেরম বিরোধীরা চ্যালেঞ্জ করেছে, তাতে ঘরের মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার লড়াই।
advertisement
আরও পডুন: ২৭ বছর আগে বিধায়ক ছিলেন, আবার বিধানসভার লড়াইয়ে অধীর! কী বললেন কংগ্রেস নেতা?
২) শুভেন্দু অধিকারী- নন্দীগ্রাম
মুখ্যমন্ত্রীকে বারবার ভবানীপুর নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শুভেন্দু, কিন্তু নন্দীগ্রাম শুভেন্দুর নিজের ডেরা। ২০২১ সালে Mamata Banerjee-কে হারিয়েছিলেন এই নন্দীগ্রাম থেকেই, এবার ভবানীপুরে মমতার সঙ্গে লড়াইয়ের সঙ্গে নন্দীগ্রামও শুভেন্দুকে জিততে হবে।
তার আসন কেন গুরুত্বপূর্ণ:
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই শুভেন্দু অধিকারীর ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম আন্দোলন। সেই আসন পরে বাংলার রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ায় অন্যতম ভূমিকা নিয়েছিল, পতন ঘটে বামেদের।
৩) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিধানসভায় প্রার্থী না হলেও অভিষেক সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। নন্দীগ্রামে সরাসরি শুভেন্দুকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। নির্বাচন না লড়লেও অভিষেকের স্ট্র্যাটেজিতেই লড়বে দল তৃণমূল। শুধু তরুণ মুখই নন, রাজ্যের ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ অভিষেকই।
তিনি কেন গুরুত্বপূর্ণ:
ভোটের বাইরে থাকলেও, Abhishek নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন, কারণ তার পারফরম্যান্স দলের অনেক হিসাবনিকাশ বদলে দেবে।
আরও পড়ুন: ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম-সহ ১৭৩ থানার ওসি বদল! ভোটের আগে পুলিশে বিরাট রদবদল করল কমিশন
৪) শমীক ভট্টাচার্য — বিজেপির রাজ্য সম্পাদক
Samik Bhattacharya বিজেপির রাজ্য সভাপতি। দায়িত্ব নেওয়ার পরে তাঁর প্রথম পরীক্ষা এই বিধানসভা নির্বাচনই। বিজেপিতে ফিরেই অনেক পুরনো নেতাকে সক্রিয় করেছেন, তার কতটা ভোটে প্রভাব ফেলে সেটাই দেখার।
তিনি কেন গুরুত্বপূর্ণ:
বিজেপি যদি ২০২১ সালের পারফরম্যান্সকে ছাপিয়ে যায় বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে, তাহলে সাংগঠনিক ভাবে শমীক কৃতিত্বের দাবিদার হবেনই।
৫) নওশাদ সিদ্দিকি- ভাঙ্গর
এই নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া অবিজেপি এবং অতৃণমূল নেতা হলেন Nawsad Siddique, Indian Secular Front-এর প্রধান মুখ। তিনি এবারও ভাঙ্গর থেকে লড়ছেন। নওশাদ সংখ্যালঘুদের অন্যতম মুখও, নওশাদের ভোট বাড়লে রাজনীতির অনেক হিসাব বদলে যেতে পারে।
তার আসন কেন গুরুত্বপূর্ণ:
বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধে গত নির্বাচনে একমাত্র ভাঙ্গরে জিতেছিলেন নওশাদ, বামেরা শূন্য হলেও প্রদীপের সলতের মতো একমাত্র নওশাদ ছিলেন বামজোটের বিধানসভার প্রতিনিধি।
৬) হুমায়ুন কবীর
নতুন দল খুলে অনেককেই চমকে দিয়েছে হুমায়ুন। তার দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি, Asaduddin Owaisi-র দলের সঙ্গে জোট করায় ভোটের অঙ্ক বদলেছে। সংখ্যালঘু ভোটে বড় ফ্যাক্টর হতে পারেন হুমায়ুন।
তিনি কেন গুরুত্বপূর্ণ:
ক্ষমতার দৌড়ে না থাকলেও, হুমায়ুন কবীর সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ভাগ বসাতে পারেন।
