মঙ্গলবার রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল দাবি, করেন, ‘৬০ লাখের মধ্যে ৭৫-৮০ পার্সেন্ট নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। ট্রাইবুনালের জন্য এসপি মুখার্জি ইনস্টিটিউশন বেহালাতে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। ওখানেই ১৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট বসতে পারবেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও লিখেছে। জলশক্তি মন্ত্রক সবুজ সংকেত দিলেই ট্রাইবুনালের কাজ শুরু করা হবে। খুব দ্রুত শুরু করার চেষ্টা করা হয়েছে।’
advertisement
আরও পড়ুন: একদিকে বাড়বে গরম, অন্যদিকে ৫ জেলায় বাড়বে ঝড়-বৃষ্টি! ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার ‘খেলা’ শুরু
সিইও-র দাবি, ‘প্রথম দফার জন্য ৪a সাপ্লামেন্টারি লিস্ট এতে থাকবে। যা ডিলিট হয়েছে তা বিচারকদের তরফে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট যা অর্ডারে দেয় আমরা সেটাই ফলো করি। কোনও অ্যাডজুজিকেশন বিচারকদের দ্বারা নিষ্পত্তি হয়ে খারিজ হয়েছে সেটার নিস্পত্তি ট্রাইবুনালে হবে।’
আরও পড়ুন: SIR-এর সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় বাদ প্রাক্তন সাংসদেরই নাম! জয়নগরে চাঞ্চল্য, পথে নামতে চলেছে এসইউসিআই
ফর্ম সিক্স নিয়ে মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘আমাদের কাছে কোনও ডকুমেন্ট জমা হবে আমরা সেটা পাঠাবো deo এর কাছে। Deo সেটা ero এর কাছে পাঠাব। আমি দুটো ক্যাটাগরি পেলাম। আমার কাছে যখন ডকেট হয়ে যাবে তখন আমি সংখ্যা বলতে পারব। ফর্ম ৬ আমাদের কাছে যত বেশি আসবে, একজন যত খুশি আনতে পারে। আমাদের এখানে কোনও নিয়ম নেই। আমরা তো ফর্ম পাঠাবো না, deo দের বলব এইগুলো তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি করুন। এখানে জমা দেওয়ার সময় আমরা দেখি না কত জমা দিয়েছে। ৩০ তারিখের পর থেকে দুটো ফেজের জন্য কোনও ফর্ম ৬ তো কার্যকরী হবে না।’
মনোজ আগরওয়াদের দাবি, ‘আমাদের অফিসে একগাদা ফর্ম ৬ অভিযোগ জমা পড়েছে বলে বলা হচ্ছে। আমাদের একটা সরকারি অফিস আছে। আমাদের এখানে ডকুমেন্ট জমা দিতে পারেন, এখানে কোনও নিষেধ নেই। আমার কাছে কোনও খবর থাকে না কি জমা পড়েছে। এখানে সিস্টেম বউন্ড ডাউন আছে। আমার জানা ছিল না কত ফর্ম ৬ জমা পড়েছে। ফর্ম ৬ এর নিয়ম কি বলে দিচ্ছি। ফর্ম ৬ ero-র যে কোনও অফিসে জমা পড়তে পারে। ফর্ম ৬ জমা দিতে কোনও বাধা নেই। ২৭ তারিখের আগে যে ফর্ম ৬ পাব, আর ৩০ তারিখ যে ফর্ম ৬ পাব সেটা দ্বিতীয় ফেজে যদি নিষ্পত্তি হয়ে যায় তাহলে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারেন। আমরা সরাসরি কাজ করার জন্য নেই।’
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
