অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূল মাফিয়াদের পোষে, কট্টরপন্থীদের আড়াল করে৷ অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকায়৷ বাংলার মাটি দখল করে নিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা৷ বাংলার অধিকাংশ এলাকায় জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে৷ হিন্দুরাই সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছেন৷ শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিরোধিতা করে তৃণমূল৷ যে শরণার্থীরা বাংলার বিভাজনের পক্ষে ছিল না৷ যাঁরা অবিভক্ত বাংলা, ভারতকে নিজেদের মাতৃভূমি ভেবেছিল৷ তৃণমূল তাঁদেরই নাগরিকত্ব দেওয়ার বিরুদ্ধে৷ কারণ ওদের জন্য অনুপ্রবেশকারীরাই ভোট ব্যাঙ্ক৷’
advertisement
তৃণমূলের এসআইআর বিরোধিতার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই কারণেই তৃণমূল এসআইআর-এর বিরোধিতা করে৷ যাতে এই অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিতে চায় না৷ ভোটার লিস্ট শুদ্ধ না হয়ে যায়৷ এরা মৃত মানুষদেরও নাম মোছার বিপক্ষে৷ জনবিন্যাসের ভয়ঙ্কর বদল বাংলাকে আজ বাংলাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে৷ এখন তো প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে৷ বলছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক আপনাদের শেষ করে দেবে৷ সাংবিধানিক পদে বসে এমন হুমকি, কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার কথা আপনার মুখে শোভা পায় না৷ আমি জানতে চাই, কারা তৃণমূল সরকারের ইশারায় কোটি কোটি মানুষকে শেষ করে দেবে? হুমকি, ধমকের এই রাজনীতিকে তৃণমূল নিজেদের অস্ত্র করে নিয়েছে৷ বাংলায় তৃণমূল কেমন ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে, গোটা দেশের জানা উচিত৷’
এ দিন রাজ্যের শাসক দলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তৃণমূলকে বাঁচানোর মতো আর কেউ বেঁচে নেই৷ মা, মাটি, মানুষের স্লোগান তুলে ক্ষমতায় এসেছিল৷ এখন বাংলায় মায়েরা কাঁদছে, মাটি লুঠ করছে, আর মানুষ বাংলা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে৷ বাংলার রুটি, বেটি, মাটি এখন ঝুঁকির মুখে৷’
মোদির হুঁশিয়ারি, তৃণমূলের গুন্ডাগিরির দিন শেষ৷ সবকা সাথ সবকা বিকাশের সঙ্গে সবার হিসেবও করবে বিজেপি৷ তৃণমূলের ভয়ের দিন আসছে৷ সব অপরাধী, ‘অনুপ্রবেশকারী বিজেপি সরকারকে ভয় পাবে৷ অপরাধীরা শুধু জেলে থাকবে৷’
