‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তির নাম বাদ গেলে, তিনি তাঁর কথা জানাতে পারবেন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে৷ মঙ্গলবার তেমনই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়ে একটি অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল/ ট্রাইবুনালস গঠন করবেন। যেখানে ভিন রাজ্যের বিচারপতিরাও থাকতে পারবেন। সেখানেই আবেদন করা যাবে৷ ট্রাইব্যুনালের নেওয়া সিদ্ধান্তকে মানবে কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি এবং বিচারপতিদের সাম্মানিক এবং অন্য সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে৷ সমস্ত খরচ কমিশন বহন করবে৷ এ ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে৷ বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷
advertisement
এদিন ধর্না প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত জানানোর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ধর্না দিয়েছিলাম যাতে ভোটাধিকার মানুষ ফিরে পায়। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ উল্টোপাল্টা বলে ভুল বোঝাচ্ছিল। এতক্ষণ আইনজীবীদের সাথে কথা বলছিলাম। ভোট ঘোষণা হলেও, নাম ঘোষণা হবে। ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। এটা আমাদের জয়। এটা মানুষের জয়। ১৫-১৬ তারিখ ভোট ঘোষণা হলেও। খেলা এখন সুপ্রিম কোর্টের হাতে। আমাদের নজর থাকবে।’’
মমতা বলেন, ‘‘মানুষের আস্থা, ভরসা যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে সেদিকে আমাদের নজর থাকবে। ক্যাম্প করে করে মানুষকে আমাদের দল সাহায্য করেছে। বিজেপির কথায় এত নাম বিবেচনাধীন করে রেখেছিল। রোজ রোজ অ্যাপ বদল করেছে। মিসলিড করেছে। আদালত আজ ভৎর্সনা করেছে।’’
এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে গত ৫ দিন ধরে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্না দিচ্ছিলেন মমতা৷ এদিনও ধর্নামঞ্চ থেকে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একযোগে আক্রমণ করেন তৃণমূলনেত্রী৷ দাবি করেন, বিজেপির কথা শুনেই নাম বাদ৷ তবে, সাধারণ মানুষকে মনে জোর রেখে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি৷
