এদিনের সভামঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘‘২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি খেয়ে নিল। যেন মগের মুলুক। কাজ করতে গিয়ে কোনও ভুল হয় সংশোধন করে দাও। সময় দাও। সংশোধন করার সময় দাও। ছাত্র ছাত্রীরা সুপ্রিম কোর্টে গেছে।’’
এরপরে স্কুলে শিক্ষক ঘাটতির প্রসঙ্গও তোলেন মমতা৷ বলেন, ‘‘এত এত চাকরি খেয়ে নেওয়া হয়েছে স্কুল চলবে কী করে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আছে? এদের চাকরিগুলো বাতিল করে যাঁরা সেন্ট্রাল এজেন্সির লোক আছে তাঁরা যেন ভোটের কাজ করে। আমি বলি সাহস থাকা ভাল, দুঃসাহস থাকা ভাল নয়৷’’
advertisement
আরও পড়ুন: যোগ্য-অযোগ্যদের তালিকা দেওয়া হয়েছিল আদালতে, অভিযোগ খারিজ করে জানালেন এসএসসি চেয়ারম্যান
এরপরেই বিকাশ ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে সরাসরি কটাক্ষ করতে দেখা যায় তৃণমূলনেত্রীকে৷ বলেন, ‘‘এই বাংলায় যদি চাকরি পেতে চান, বাবা মা থেকে শুরু করে, সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে, কেস করান বিকাশ বাবুকে দিয়ে। সব ব্যাপারে পিল করে। অ্যান্টাসিড খাবে না, জেলুসিল খাবে না। বিজেপি করলে বেল। তৃণমূল করলে জেল। এইসব নজরে রাখছি।’’
এদিন প্রচণ্ড দাবদাহ নিয়েও চিন্তা প্রকাশ করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ গরমের প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, ‘‘আমার নিজের হেলিকপ্টারে তিন দিন ধরে এয়ার কম্প্রেসর কাজ করছিল না। হেলিকপ্টার যখন মাঠে দাড়িয়ে থাকে তখন দগ্ধ হয়ে থাকে। আমি যখন ফিরে গেছিলাম ভীষণ ক্লান্তি হয়েছিল। চোখ মুখ জালা করছিল। আমি জীবনে ৩ মাস ধরে ইলেকশন দেখেনি।’’
বুথে বুথে সেন্ট্রাল ফোর্স নিয়েও এদিন সরব হন মমতা৷ তাঁর কথায়, ‘‘আমি ইলেকশন কমিশনের কাছে বলব তালিকা প্রকাশ করে বলুন, কোন রাজ্যে কত সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়েছেন? বাংলাকে দখল করার জন্য এত সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়েছেন?’’
