প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশের মানুষের সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যুৎ বিলে ছাড় দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার সেই প্রকল্প আসতে দেয়নি। যারা এই সুবিধা পেয়েছে তাদের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হয়েছে। আপনাদের বিদুৎ বিল শূন্য করা দরকার কি না বলুন । মোদির সাহায্য দরকার কিনা বলুন। যে এটা আটকাচ্ছে সে আপনাদের শত্রু কি না বলুন৷’’
advertisement
তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস সরকার না নিজে কাজ করবে না করতে দেবে। যতক্ষন না পর্যন্ত এদের কাটমানি মিলবে ততক্ষন এরা কোনো প্রকল্পকে গ্রামে পর্যন্ত পৌঁছতে দেবে না। সেকারনেই এরাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে আছে৷ কারিগরদের জন্য কেন্দ্র সরকার পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা চালু করেছ। কিন্তু এই নির্মম সরকার বাংলায় যোজনা আসতে ব্রেক লাগিয়ে রেখেছে। বাংলায় বিশ্বকর্মা ভাইদের এই টাকা এই সাহায্য আসা দরকার। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে কিন্তু এই সরকার বাংলার ভাই বোনদের বঞ্চিত করছে৷’’
তিনি বলেন, ‘‘যেদিকে যেদিকে আমার নজর যাচ্ছে শুধুই মানুষ। এই আপনাদের জোশ বাংলার মানুষ কি ভাবছে কি আছে তাদের মনে কি আছে সেটা প্রমাণ করছে৷ বাংলা দেশকে দিশা দেখায় । এই ব্রিগেড ময়দান এর আওয়াজ হিন্দুস্থানের কান পর্যন্ত পৌঁছাবে । আজ একবার আবার ব্রিগেড ময়দান থেকে বাংলার ক্রান্তির শব্দ শোনা যাচ্ছে ।
প্রধানমন্ত্রী ব্রিগ্রেড থেকে দাবি করেন, ‘‘বাংলার জনগণ আওয়াজ তুলছে চাই বিজেপি সরকার। চোর যে এটা বাংলার প্রতিটি মানুষ জানে৷ আজ বিজেপি কর্মীদের এই মিছিলে আটকানোর জন্য সব রকম হাতিয়ার ব্যবহার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাস ভেঙেছে পোস্টার লাগিয়েছে । কিন্তু আজকের জনসভা বন্ধ করতে পারেনি৷
মোদি বলেন, ‘‘বাংলায় আবার আইনের শাসন তৈরি হবে খুব তাড়াতাড়ি। তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও অত্যাচারীদের ছাড়া হবে না । খুঁজে খুঁজে বের করা হবে৷ বাংলার মানুষ একটা সময় এগিয়ে ছিল । একটা সময় গোটা দেশকে দিশা দেখাতো । শিল্পে এগিয়ে ছিল এই রাজ্য। এখানকার যুবক এখন ডিগ্রি পাচ্ছে না কাজ পাচ্ছে না রোজগার পাচ্ছে না। এখানকার ছেলেমেয়েদের কাজের জন্য অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে৷’’
