নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের প্রতিটি বুথের নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ভোটের আগে বুথগুলিতে অগ্রিম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকা ‘স্যানিটাইজেশন’-এর কাজ চলছে জোরকদমে।
শেয়ার মার্কেটে ‘ধস’! মুছে গেল ১২ লক্ষ কোটি টাকা, আতঙ্কে কাঁপল বাজার! পতনের নেপথ্যে কী কারণ?
advertisement
অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩টি কার্তুজ এবং ৩৯টি বোমা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাগাতার অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২০,৬২৯টি অস্ত্র জমা পড়েছে, তবে আরও ৩২,১৮৪টি অস্ত্র জমা পড়া বাকি রয়েছে। পাশাপাশি ২৫,৩৮০টি নন-বেলএবল ওয়ারেন্ট (NBW) জারি করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮৯৩টি কার্যকর হয়েছে, বাকি রয়েছে ২৪,৪৮৭টি।
রাজ্য জুড়ে নজরদারি জোরদার করতে ৯৬টি আন্তঃরাজ্য এবং ৫৭১টি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নাকা চেকিং চালানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি ১০৭১টি ফ্লাইং স্কোয়াড টিম (FST) এবং ১০৫৭টি স্ট্যাটিক সার্ভেইলেন্স টিম (SST) মোতায়েন করা হয়েছে। সংবেদনশীল এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত নজরদারি রাখা হচ্ছে।
ভোটারদের উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বার্তা—নির্ভয়ে ভোট দিতে এগিয়ে আসুন। কোনও ধরনের ভয় দেখানো বা বাধা পেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
