এরপরেই তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র নিশানা করে দিলীপের মন্তব্য, “আমরা পরিবর্তন যাত্রা শুরু করলাম, উনি ধর্না শুরু করলেন। হাতা খুন্তি নিয়ে খিচুড়ি রান্না করলেন গ্যাস উনুন ছাড়া। যদিও গত পনের বছর ধরে উনি খিচুড়ি রান্না করছেন। চাকরি হয়েছে টাকায় এখানে। ফসলের দাম পায় না কৃষক। বন্যায় প্লাবিত হলে চুরি হয় ত্রাণ। সব জায়গায় খিচুড়ি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”
advertisement
তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে দিলীপের কটাক্ষ, “এই সরকার পনের বছর ধরে লুঠ করেছে। একে সরাতে হবে। আবাস যোজনার টাকা লুঠ করেছে । ছাত্রদের স্টাইপেন টাকা লুঠ করেছে । এই চোরদের পাল্টাতে হবে এবার। তাই আমরা পরিবর্তন সংকল্প সভা ও পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছি। পরিবর্তন করুন। আপনার ছেলে বাইরে চাকরি করতে যাবে না। তারা বাবা মা পরিবার ছেড়ে থাকে ভারতের অন্যত্র।”
উন্নয়নের খতিয়ান দিয়ে দিলীপ ঘোষের জোরালো দাবি, “বারোটা ট্রেন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে। মুম্বই দিল্লিতে অন্যরা এখন পড়তে যায় এই রাজ্য থেকে। উত্তরবঙ্গের জন্য একাধিক ট্রেন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পড়াশোনা চাকরি সবটাই এখন রাজ্য থেকে বাইরে যায় মানুষ। প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেয়েছে এই রাজ্য মোদির তরফে কলকাতা বাগডোগরা দুর্গাপুর কোচবিহারে একাধিক রাজপথ হয়েছে বিমানবন্দরের সঙ্গে।”
দিলীপ যোগ করেন, “কোনও শিল্পপতি এখানে আসে না। কারখানা অন্য রাজ্যে তৈরি হচ্ছে। কিন্তু বাংলার জমি পড়ে আছে কোনও শিল্প কারখানা নেই। এই সরকার যতদিন আছে শিল্প শিক্ষা কারখানা কিচ্ছু হবে না। গ্রাম বাংলার জন্য প্রধানমন্ত্রী আবাস শৌচালয় খাবার দিচ্ছে গরিবদের জন্য কিন্তু সব চুরি করছে এই রাজ্য সরকার। জঙ্গলমহলের জন্য দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। রেশনের টাকা চুরি হয়েছে যেটা এবার বন্ধ করার দরকার।”
“পরিবর্তনের হাওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ তৃণমূল কংগ্রেসের পরিবর্তনের পালা। এখানকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বাহুবলী মনে করছে নিজেদের। ব্যবহার ঠিক করুন । বিজেপি কর্মীদের ব্যবসা করতে না দেওয়া কেস দেওয়া এদের কাজ। সমস্যার সমাধান করতে আসছেন মোদি জি।”
