ভোটে দাঁড়াতেই ফের পুরনো ফর্মে দিলীপ ঘোষ। মাঝে দলের সঙ্গে দূরত্ব, আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে মমতার সঙ্গে সস্ত্রীক সাক্ষাৎ, এমনকি তাঁর তৃণমূলে যোগদানের কানাঘুষো পর্যন্ত বয়ে গিয়েছে গঙ্গা দিয়ে৷ একটা সময় তো এমনও তৈরি হয়েছিল, যখন প্রায় ধরেই নেওয়া হয়েছিল দিলীপ ঘোষ সম্ভবত দলবদল করছেনই৷ কিন্তু, বাস্তবে তেমন ছবি দেখা যায়নি৷ নিজের দলের প্রতি আনুগত্য স্পষ্ট করে নিজের বার্তায় অবিচল থাকা দিলীপ ঘোষ একান্ত সাক্ষাৎকারে বলে দিলেন মনের কথা৷ একান্ত সাক্ষাৎকারে একাধিক সোজাসাপ্টা প্রশ্নের জবাবে দিলেন চোখা চোখা উত্তর!
advertisement
নিউজ18 নেটওয়ার্কের এডিটর ইস্ট, বিশ্ব মজুমদারকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এদিন দিলীপ ঘোষ খোলামেলা আলোচনা করেন বহু বিষয়ে৷ উঠে আসে বিয়ের প্রসঙ্গও। দেখে নেওয়া যাক কী বললেন দিলীপ?
প্রশ্নঃ বিয়ে করেছেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে মিষ্টি খাওয়াননি, ঠিক করেছেন? উনি তো অভিযোগ জানালেন সর্বসমক্ষে?
উত্তর: মোদি জির সঙ্গে আমার সম্পর্ক বহুদিনের। চাক্ষুষ পরিচয় বহুদিনের। একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। উনি অনেক জায়গায় সর্বসমক্ষে বলেন দিলীপকে আমি বহুদিন থেকে চিনি। এমনিতে গম্ভীর থাকলেও তাঁর এই ধরণের হাসি-ঠাট্টা সবারই খুব ভাল লেগেছে। আমিও মজা পেয়েছি।
প্রশ্ন : অনেকে বিয়ে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে, কটাক্ষ করেছে, সেগুলো কী ভাবে নিয়েছেন?
উত্তর: বিরোধিতা হয়েছে। বাইরে থেকেই শুধু নয়। পার্টির ভিতরেও বিরোধিতা হয়েছে, কটাক্ষ হয়েছে। অনেকেই ভেবেছে দিলীপ কেন এত পাবলিসিটি পাবে। এখন মোদি যদি মিষ্টি খেতে চান, কার দম আছে কিছু বলার?
প্রশ্ন : বিয়ের পর কি আপনি বদলে গিয়েছেন? রিঙ্কু বৌদি কি খুব বকাঝকা করেন?
উত্তর : বিয়ের পর সংযত, অসংযতর ব্যাপার নয়। আসলে আমি যখন রাজীনীতি করেছি আমি তখন বার বার ধাক্কা খেয়েছি। আবার গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমি তখন একা লড়াই করেছি। কিন্তু এখন বুঝি আর বেশি ঝগড়া করে লাভ কী? কে কতদিন কোন পার্টিতে আছে তার নিশ্চয়তা নেই। কে কবে কোন ঝাণ্ডা ধরে তারও নিশ্চয়তা নেই। তবে বেকার ঝগড়া করে লাভ কী?
