টিকিট না দেওয়ায় প্রথমে অভিমান হয়েছিল অসিত মজুমদারের, রাজনীতি করবেন না ঘোষণা করেছিলেন। পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর সেই অভিমানে প্রলেপ পড়ে। আর আজ, অর্থাৎ শুক্রবার থেকে দলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেমে পড়লেন।
advertisement
অসিত মজুমদারের নাম না করে আজ, অর্থাৎ শুক্রবার হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগের প্রার্থীদের ফিরিয়ে আনতে গেলে তার ভাল ব্যবহার, মানুষের আস্থা বিশ্বাস ভালোবাসা অর্জন করা প্রয়োজন। সেই প্রসঙ্গে অসিত মজুমদার বলেন, তিন দিনের যোগী ভাতকে বলে অন্ন, ওকে নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।
প্রসঙ্গত, চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত তাঁর এলাকার যে সব স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠানে পরিচালন সমিতিতে ছিলেন সেখান থেকে পদত্যাগ করেছেন। ব্যান্ডেল সার্ভে কলেজ থেকে তাকে আজ চিঠি দিয়ে পদত্যাগ করতে বলা হয়। সেই প্রসঙ্গে অসিত বলেন, সার্ভে কলেজ বলেছে আমি নাকি ২০২৪ সাল থেকে ওই কলেজের সদস্য, সেটা আমিই জানতাম না, কোনও দিন একটাও মিটিংয়ে আমি যাইনি।
বাংলায় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বাংলায় নির্বাচন তো হবেই, কিন্তু মোদির হাত থেকে দেশ উদ্ধার করাই তাঁর অগ্রাধিকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে আরও বলেন, “দেশ পুরো ধ্বংস করে দিয়েছে। বিভাজনের রাজনীতি। কোথাও আইনশৃঙ্খলা নেই। একটা প্রতিশ্রুতি তিনি রক্ষা করতে পারেননি। সব পাবলিক সেক্টর ও পরিচিতদের হাতে তুলে দিয়েছে। যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। এরা বাংলাকে তুলে দিতে চায়। উত্তরবঙ্গ ও বিহার নিয়ে আলাদা রাজ্য করতে চায়, ভোটের পরে ডিলিমিটেশন করবে হয়তো”।
