সেই জল্পনা বাড়িয়েই বহরমপুরে নিজের পুরনো ডেরায় ফিরলেন কংগ্রেস নেতা৷ বহরমপুরের সাংসদ থাকাকালীন বহরমপুর শহরের গোরাবাজার এলাকায় নিজের বাড়ি থেকেই যাবতীয় কর্মকাণ্ড সামলাতেন অধীর৷ সাংসদ হিসেবে তাঁর কার্যালয়ও ছিল এই বাড়িতেই৷ গোরাবাজারের এই বাড়ি থেকেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেন তিনি৷ কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনে অধীরের পরাজয়ের পর কার্যত ফাঁকাই পড়েছিল এই বাড়িটি৷
advertisement
বুধবার গোরাবাজারের সেই বাড়িতেই হঠাৎ করে হাজির হলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী৷ সেখানেই সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি৷ অধীর ঘনিষ্ঠ এবং অনুগামীদের আনাগোনাও বেড়েছে গোরাবাজারের এই বাড়িতে৷ এসবই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর শহর থেকে অধীরের প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে স্থানীয় কংগ্রেস কর্মী এবং রাজনৈতিক মহলেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে৷
যদিও নিজের প্রার্থী হওয়া নিয়ে মুখ খোলেননি অধীর৷ ভোট ভাগ্য ফেরাতেই তিনি পুরনো ঘাঁটিতে ফিরলেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবও হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ৷ তবে অধীর মুখে কিছু না বললেও দুই দুইয়ে চার করে ফেলছেন অনেকেই৷
সাংসদ পদ হারানোর পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদও হারিয়েছেন অধীর৷ ফলে নিজের পায়ের তলার মাটি ফিরে পেতে অধীরের প্রার্থী না হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়েও দিচ্ছেন না অধীর ঘনিষ্ঠরা৷ এর আগে তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের সিদ্ধান্তের উপরেই ছেড়েছিলেন অধীর৷ প্রাক্তন সাংসদ বলেছিলেন, , ‘ভোটে লড়ব কি না আমি এখনও সেই সিদ্ধান্ত নিইনি। আমরা কংগ্রেস দল, সবাই একসঙ্গে লড়ব। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিইনি যে, লড়ব কি না।’
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে কংগ্রেস যে একাই লড়াই করবে, তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ বিধানসভায় দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে অধীরকে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড টিকিট দেয় কি না, সেটাই এখন দেখার৷
