ধর্নামঞ্চ থেকেই অভিষেক এদিন বলেন, ”আমি দিদিকে অনুরোধ করব, চার দিন হয়েছে। আপনি মানুষের স্বার্থে রাস্তায় থাকতে চান। কিন্তু বাংলার ১০ কোটি মানুষের স্বার্থে আপনার সুস্থ থাকা অত্যন্ত জরুরি। ঝড়-জল-বৃষ্টির মধ্যে আপনি নিজের শরীরের উপর এই অত্যাচার আর করবেন না। তৃণমূলের ছাত্র-যুব তো রাস্তায় আছে। আমরা তো ময়দানে আছি। ১ লক্ষ বিএলএ-টু আছে। ৩৩০০ অঞ্চল সভাপতি আছে। ১ লক্ষ বুথ সভাপতি আছে। সাড়ে তিন হাজার ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট আছে। বুথে বুথে তৃণমূলের প্রহরী আছে। আমরা বুঝে নেব। আমরা শুধু ভোটের সময় রাজনীতি করতে আসি না।”
advertisement
আরও পড়ুন: বাংলায় SIR-এর সাপ্লিমেন্টারি তালিকা কবে বেরবে? জানিয়ে দিল কমিশন! ভোট ঘোষণাই বা কবে?
অভিষেক বিজেপির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ”আজ যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, এইখান থেকে সিপিআইএমের পতন শুরু হয়েছিল। এখান থেকে বিজেপির পতন শুরু হল। আমার দিন মনে আছে ৪ ডিসেম্বর। আমি দিল্লি থেকে ছুটে এসেছিলাম। ২০২৬-এর বাংলার জয় দিয়েই শুরু হবে দ্বিতীয় স্বাধীনতার লড়াই। হিম্মত থাকলে আসুন। একদিকে ইলেকশন কমিশনের ফুল বেঞ্চ থাকুক। একদিকে রাজ্যের ফুল বেঞ্চ থাকবে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে বলব, আপনারা আদেশ মানছেন না।”
তৃণমূল সাংসদের সংযোজন, ”বাংলার মাটিতে প্রধানমন্ত্রীর যা অধিকার আপনার একই অধিকার থাকবে। বাপের দয়ায় আসিনি। একটা নাম জোর করে কাটলে আজকের চেয়ে ৫০ গুণ লোক বেশি নিয়ে নামব। বিজেপি নেতাদের বাড়ির লোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেয়, দেবে।”
