জেলায় প্রার্থী যেই হোন, জোড়াফুলেই ভোট দিতে হবে- দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার সাঁইথিয়ায় দলীয় কর্মী সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন অনুব্রত। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে উঠে আসে প্রার্থী প্রসঙ্গ। এই প্রসঙ্গে অনুব্রত বলেন, “নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আসনে বসানোর নির্বাচন। তাই প্রার্থী যেই হোক, মাথায় রাখতে হবে প্রার্থী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক প্রার্থীর জয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী করতে জোড়াফুল চিহ্নে ছাপ দিতে হবে।”
advertisement
একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা এবং পুরোহিত ও মোয়াজ্জেম ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেন, তাতেও আপ্লুত অনুব্রত। এদিন সারাদেশ জুড়ে বিজেপি শাসিত প্রতিটি রাজ্যের উদাহরণ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের মধ্যে এমন আর একটিও রাজ্য নেই যেখানে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এতগুলি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পান সাধারণ মানুষ। অনুব্রতর দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সব শ্রেণীর, সব ধরনের মানুষের উন্নতির কথা খেয়াল রাখেন।
এদিনের সভায় অনুব্রত বলেন, “৩৪ বছর অন্ধকারের মধ্যে বাস করেছে রাজ্যের মানুষ। এখন রাজ্যে আলো এসেছে। সেই আলোর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ কর্মী সমর্থকদের বা সাধারণ মানুষের একটিমাত্র ভুলে যদি সেই আলো কোনও ভাবে রাজ্য থেকে সরে যায়, তাহলে ফের অন্ধকার নেমে আসবে। তাই সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে দেওয়া যাবে না।”
আজ, রবিবার, ১৫ মার্চ, পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে ঘোষণা হল নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন৷ ২৩ ও ২৯ এপ্রিল হবে ভোটগ্রহণ, ফলপ্রকাশ ৪মে! বাংলায় প্রথম দফায় ১৫২ টি আসন এর ভোট,, দ্বিতীয় দফায় ১৪২ টি আসন এর ভোট। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এ বার দুই দফায় ভোট হবে। কমিশন সূত্রে খবর, কম দফায় ভোট হলেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক হিংসার কথা মাথায় রেখে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কমিশন বদ্ধপরিকর।
সুপ্রতিম দাস
