গঙ্গানগর জেলার রাওলা তহসিলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী নিকিতা ৯৩.৮৮ শতাংশের মতো প্রশংসনীয় নম্বর পেলেও, ফলাফল প্রকাশের ১০ দিন আগে, ২০ মার্চ মারা যায়। সে রাওলার সরকারি সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্রী ছিল। স্কুলপড়ুয়া নিকিতা হেপাটাইটিস ও ডায়াবেটিসে ভুগছিল। জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েই বসেছিল পরীক্ষায়। দুর্দান্ত রেজাল্ট করার পরও অন্ধকার নিকিতার বাড়িতে। কারণ সাফল্যের সাক্ষী হতে পারল না নিকিতা নিজেই। বহু যুদ্ধের পর হার মানতে হল রোগের কাছে। স্বপ্ন অধরা রেখেই তাকে চিরঘুমের দেশে চলে যেতে হল জটিল অসুস্থতার কারণে।
advertisement
নিকিতার দিনমজুর বাবা-মা এমন এক সাফল্যের পরও শোকাহত। কারণ এই সাফল্যের মুহূর্ত দেখে যেতে পারল না তাদের মেধাবী মেয়ে। পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, মেয়েটি বেঁচে থাকলে তার এই অর্জন তাদের জন্য অপরিসীম গর্ব ও উদযাপনের মুহূর্ত হত।
এই বছর রাজস্থান বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার জন্য সাড়ে আট লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রী রেজিস্ট্রেশন করেছিল, যার মধ্যে প্রায় ৮.২ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছিল। কলা বিভাগ থেকে সবথেকে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী ছিল, প্রায় ৬ লক্ষ; এরপরেই ছিল বিজ্ঞান বিভাগ, যেখানে প্রায় ২.৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী ছিল এবং বাণিজ্য বিভাগ, যেখানে ৩০,০০০-এরও বেশি পরীক্ষার্থী ছিল।
সব বিভাগেই ছেলেদের চেয়ে ভাল ফল করেছে মেয়েরা। বিজ্ঞান বিভাগে ৯৮.৩৪ শতাংশ ছাত্রী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে ছেলেদের পাশের হার ৯৭.০২ শতাংশ। বাণিজ্য বিভাগে মেয়েদের পাশের হার ৯২.৮২ শতাংশ, যেখানে ছেলেদের উত্তীর্ণ হওয়ার হার ৯৪.০৪ শতাংশ। কলা বিভাগে ৯৮.২৯ শতাংশ ছাত্রী এবং ৯৬.৬৮ শতাংশ ছাত্র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের রাজস্থান বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
