প্রভাবিত দুই কর্মী, যার মধ্যে একজন মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগের সদস্য, জানান যে ভারতে ছাঁটাইয়ের সংখ্যা ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য। দেশে প্রায় ৩০,০০০ কর্মী নিয়ে কাজ করে সংস্থাটি, যার মধ্যে বড় অংশই এই ছাঁটাইয়ের আওতায় এসেছে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ওরাকল।
সংস্থার অভ্যন্তরীণ ইমেলে জানানো হয়েছে, সংগঠনগত পরিবর্তনের কারণে কিছু পদ অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইমেলে কর্মীদের জানানো হয়, “বর্তমান ব্যবসায়িক প্রয়োজন বিবেচনা করে আপনার পদটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আজই আপনার শেষ কর্মদিবস।
advertisement
আরও পড়ুন: ঝড়-বৃষ্টিতে তোলপাড় হবে বাংলার ৬ জেলা, গরম বাড়বে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে! আবহাওয়ার বড় আপডেট
এছাড়াও জানানো হয়েছে, চাকরি ছাড়ার কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার পর কর্মীরা নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে সেভারেন্স প্যাকেজ পাবেন। খুব শীঘ্রই তাদের অফিসিয়াল ইমেল, কম্পিউটার, ফাইল এবং অন্যান্য অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি কর্মীদের দ্রুত ব্যক্তিগত ইমেল আইডি জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় নথি পাঠানো যায়। উল্লেখ্য, সম্প্রতি Meta এবং Amazon-এর মতো বড় সংস্থাও একাধিক দফায় কর্মী ছাঁটাই করেছে, যা প্রযুক্তি খাতে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আরও পড়ুন: এসআইআর বিতর্কে স্বস্তির বার্তা! বাদ পড়া ভোটারদের নাম ফেরাতে বড় উদ্যোগ প্রশাসনের
ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের জন্য সংস্থা একটি সেভারেন্স প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে– প্রতিটি সম্পূর্ণ কাজের বছরের জন্য ১৫ দিনের বেতন, এক মাসের বকেয়া বেতন, ছুটির অর্থ, গ্র্যাচুইটি (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং নোটিস পে। এছাড়াও অতিরিক্ত দুই মাসের বেতন দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র স্বেচ্ছায় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ বিচ্ছেদে সম্মত কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য।
এই পদক্ষেপ এমন সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন ওরাকল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর জন্য ডেটা সেন্টার অবকাঠামো গড়ে তুলতে বড় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে এবং তাদের মূল ডেটাবেস ব্যবসায় আরও জোর দিচ্ছে।
