ইতিমধ্যেই প্রাক-প্রাথমিক পড়ুয়াদের নিয়মিত পাঠদান করানোর ব্যবস্থা চালু হয়েছে নতুন ডিজিটাল ক্লাসরুমে। পাশাপাশি প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের সপ্তাহে দু’দিন প্রজেক্টর ও স্মার্ট টিভির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পড়াশোনা করানো হয়। এতে পড়াশোনা আরও আকর্ষণীয় ও সহজবোধ্য হয়ে উঠছে। পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী নুসরাত ইয়াসমিন জানায়, “প্রজেক্টর ও স্মার্ট টিভিতে দেখে পড়া বুঝতে অনেকটাই সহজ হয়। আগে শুধুই ব্ল্যাকবোর্ডে ক্লাস হত, তখন পড়াশোনায় মন বসত না। এখন ডিজিটাল ক্লাসরুমে পড়াশোনা করতে খুব ভাল লাগে।”
advertisement
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক স্নেহাংশু চৌধুরী জানান, “ডিজিটাল ক্লাসরুম চালু হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের পড়া বোঝানো অনেক সহজ হয়েছে। সপ্তাহে দু’দিন প্রজেক্টর ও স্মার্ট টিভির মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় দেখিয়ে ক্লাস নেওয়া হয়, ফলে পড়ুয়াদের আগ্রহও বাড়ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক মৃগাঙ্ক শেখর মণ্ডল বলেন, “ডিজিটাল শিক্ষার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদার করতে চারটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এছাড়াও এলাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, তাই ক্লাসে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই কারণে ইনভার্টারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত গণেশপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে মোট ২৬৮ জন ছাত্রছাত্রী ও ৬ জন শিক্ষক রয়েছেন। দু’তলা ভবনে রয়েছে ছয়টি শ্রেণিকক্ষ, একটি স্টাফ রুম এবং মিড-ডে মিলের ঘর। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বিদ্যালয়ে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে বলে আশাবাদী শিক্ষক মহল থেকে অভিভাবকরা। সবশেষে বলা যেতেই পারে বেসরকারি বহু স্কুলের সুবিধাকেই টেক্কা দিতে প্রস্তুত মালদহের এই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।





