advertisement

Weekend Trip: শহরের কোলাহল থেকে দূরে, সপ্তাহান্তে নিজেকে ডুবিয়ে দিন ইতিহাসের পাতায়! বাঁকুড়ায় মন ভাল করার নতুন ঠিকানা মণ্ডল জমিদারবাড়ি

Last Updated:
Bankura Weekend Trip: বাঁকুড়ার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে ইতিহাস। এবার পর্যটকদের জন্য ঘুরতে যাওয়ার নতুন ঠিকানা ৩৫০ বছরের পুরনো এক জমিদারবাড়ি। প্রাচীন স্থাপত্য আর আভিজাত্যের মিশেলে এই জমিদারবাড়ি হয়ে উঠতে পারে আপনার আগামী সপ্তাহান্তের সেরা গন্তব্য।
1/6
বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়ের ব্লকের হদল–নারায়ণপুর এখন ধীরে ধীরে পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক গন্তব্য হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের পুরনো মণ্ডল জমিদারবাড়ি, তার বিশাল প্রাসাদ, পুরনো স্থাপত্য এবং নানা কিংবদন্তি আজও ইতিহাসপ্রেমীদের টানে এখানে। গ্রামবাংলার নিস্তব্ধ পরিবেশের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এই জমিদারবাড়ি যেন অতীতের এক জীবন্ত দলিল, যেখানে মিশে আছে ইতিহাস, লোককথা ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের অনন্য সমন্বয়। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়ের ব্লকের হদল–নারায়ণপুর এখন ধীরে ধীরে পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক গন্তব্য হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের পুরনো মণ্ডল জমিদারবাড়ি, তার বিশাল প্রাসাদ, পুরনো স্থাপত্য এবং নানা কিংবদন্তি আজও ইতিহাসপ্রেমীদের টানে এখানে। গ্রামবাংলার নিস্তব্ধ পরিবেশের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এই জমিদারবাড়ি যেন অতীতের এক জীবন্ত দলিল, যেখানে মিশে আছে ইতিহাস, লোককথা ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের অনন্য সমন্বয়। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
ইতিহাস বলছে, আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগে বর্ধমান জেলার নীলপুর গ্রাম থেকে ভাগ্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছিলেন মুচিরাম ঘোষ। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি এসে পৌঁছন বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের অঞ্চলের বোদাই নদীর তীরে। সেখানেই তিনি বসতি স্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে মল্ল রাজাদের সান্নিধ্যে আসেন। মল্ল রাজা গোপাল সিংহ তাঁর কাজকর্ম ও ব্যবহারে সন্তুষ্ট হয়ে বোদাই নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ জমির জমিদারি প্রদান করেন। এরপর থেকেই এই অঞ্চলে মণ্ডল পরিবারের প্রভাব বিস্তার শুরু হয়।
ইতিহাস বলছে, আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগে বর্ধমান জেলার নীলপুর গ্রাম থেকে ভাগ্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছিলেন মুচিরাম ঘোষ। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি এসে পৌঁছন বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের অঞ্চলের বোদাই নদীর তীরে। সেখানেই তিনি বসতি স্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে মল্ল রাজাদের সান্নিধ্যে আসেন। মল্ল রাজা গোপাল সিংহ তাঁর কাজকর্ম ও ব্যবহারে সন্তুষ্ট হয়ে বোদাই নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ জমির জমিদারি প্রদান করেন। এরপর থেকেই এই অঞ্চলে মণ্ডল পরিবারের প্রভাব বিস্তার শুরু হয়।
advertisement
3/6
হদল ও নারায়ণপুর গ্রামের মাঝখানে গড়ে ওঠে বিশাল জমিদারবাড়ির প্রাসাদ। শুধু প্রাসাদই নয়, তার সঙ্গে তৈরি হয় নানা ঐতিহাসিক স্থাপত্য—দুর্গাদালান, রাসমঞ্চ, রথমন্দির, নাটমন্দির এবং নহবতখানা। এই স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যশৈলী আজও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। পুরনো দিনের ইটের গাঁথুনি, খিলান দরজা, প্রশস্ত উঠোন এবং প্রাচীন অলংকরণ যেন সেই সময়ের ঐশ্বর্যের সাক্ষ্য বহন করে।
হদল ও নারায়ণপুর গ্রামের মাঝখানে গড়ে ওঠে বিশাল জমিদারবাড়ির প্রাসাদ। শুধু প্রাসাদই নয়, তার সঙ্গে তৈরি হয় নানা ঐতিহাসিক স্থাপত্য—দুর্গাদালান, রাসমঞ্চ, রথমন্দির, নাটমন্দির এবং নহবতখানা। এই স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যশৈলী আজও দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। পুরনো দিনের ইটের গাঁথুনি, খিলান দরজা, প্রশস্ত উঠোন এবং প্রাচীন অলংকরণ যেন সেই সময়ের ঐশ্বর্যের সাক্ষ্য বহন করে।
advertisement
4/6
এই জমিদারবাড়ির ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বোদাই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বাণিজ্যের গল্পও। কথিত আছে, একসময় মণ্ডল পরিবার ওই অঞ্চলের সাতটি নীলকুঠির ইজারা নিয়েছিল। নদীপথে নীল বোঝাই বজরা ভাসিয়ে দূর-দূরান্তে বাণিজ্য চলত। সেই সময়কার নানা ঘটনা ও লোককথা এখনও স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে ফেরে, যা এই এলাকার ঐতিহাসিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
এই জমিদারবাড়ির ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বোদাই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বাণিজ্যের গল্পও। কথিত আছে, একসময় মণ্ডল পরিবার ওই অঞ্চলের সাতটি নীলকুঠির ইজারা নিয়েছিল। নদীপথে নীল বোঝাই বজরা ভাসিয়ে দূর-দূরান্তে বাণিজ্য চলত। সেই সময়কার নানা ঘটনা ও লোককথা এখনও স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে ফেরে, যা এই এলাকার ঐতিহাসিক গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
advertisement
5/6
বর্তমানে জমিদারি প্রথা বা নীলকুঠির সেই জৌলুস আর নেই। তবে বিশাল প্রাসাদ, পুরনো মন্দির, রাসমঞ্চ এবং অন্যান্য স্থাপত্য আজও দাঁড়িয়ে আছে অতীতের স্মৃতি বহন করে। গ্রামের শান্ত পরিবেশ, নদীর ধারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ইতিহাসঘেরা এই স্থাপত্য মিলিয়ে হদল–নারায়ণপুর এখন ধীরে ধীরে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
বর্তমানে জমিদারি প্রথা বা নীলকুঠির সেই জৌলুস আর নেই। তবে বিশাল প্রাসাদ, পুরনো মন্দির, রাসমঞ্চ এবং অন্যান্য স্থাপত্য আজও দাঁড়িয়ে আছে অতীতের স্মৃতি বহন করে। গ্রামের শান্ত পরিবেশ, নদীর ধারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ইতিহাসঘেরা এই স্থাপত্য মিলিয়ে হদল–নারায়ণপুর এখন ধীরে ধীরে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
advertisement
6/6
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রচার হলে হদল–নারায়ণপুরের মণ্ডল জমিদারবাড়ি ভবিষ্যতে বাঁকুড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হেরিটেজ পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। ইতিহাসের গন্ধ মেখে থাকা এই প্রাচীন প্রাসাদ আজও ভ্রমণপিপাসুদের আহ্বান জানায়—এসে দেখে যান গ্রামবাংলার বুকে লুকিয়ে থাকা এক বিস্মৃত ঐতিহ্য। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রচার হলে হদল–নারায়ণপুরের মণ্ডল জমিদারবাড়ি ভবিষ্যতে বাঁকুড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হেরিটেজ পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। ইতিহাসের গন্ধ মেখে থাকা এই প্রাচীন প্রাসাদ আজও ভ্রমণপিপাসুদের আহ্বান জানায়—এসে দেখে যান গ্রামবাংলার বুকে লুকিয়ে থাকা এক বিস্মৃত ঐতিহ্য। (ছবি ও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
advertisement
advertisement