আরও পড়ুনঃ সিনেমায় আর গান গাইবেন না, সঙ্গীত জগৎকে চমকে দিয়ে আচমকা অবসর ঘোষণা করলেন অরিজিৎ সিং!
এই পরিস্থিতিতে কীভাবে পরীক্ষার ফল ভাল করা যায় দিকনির্দেশ দিলেন রামপুরহাট জিতেন্দ্র লাল বিদ্যাভবন এর ভূগোল শিক্ষক সৃষ্টিধর চট্টোপাধ্যায়। তিনি আমাদের জানান “প্রথমে চ্যাপ্টার ভিত্তিক বড় প্রশ্নগুলোকে সিলেক্ট করে নিতে হবে। প্রাকৃতিক এবং আঞ্চলিক-এর পাঁচ নম্বরের যে দুটো, দুটো করে কোশ্চেন আসে। প্রাকৃতিকের ক্ষেত্রে যে প্রথম চ্যাপ্টার বৈজাত প্রক্রিয়া ও সৃষ্ট ভূমিরূপ, বায়ু মন্ডল এবং বাড়ি মন্ডল এই তিনটে চ্যাপ্টার থেকে দুটো চ্যাপ্টার বেছে নিয়ে সমস্ত পাঁচ নাম্বারের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন।
advertisement
আঞ্চলিক-এর ক্ষেত্রে কৃষিকাজ, শিল্প, শহর, নগর, বন্দর এই গুলো থেকে দুটো পাঁচ নম্বরের প্রশ্ন পাওয়া যেতে পারে। সময়ের ক্ষেত্রে শর্ট কোশ্চেনের ক্ষেত্রে শুধু উত্তর লিখবে, পাঁচ নম্বর এবং তিন নম্বর ক্ষেত্রে প্রত্যেকের পয়েন্ট ভিত্তিক উত্তর লেখার চেষ্টা করা উচিত। এর সঙ্গে চিত্র এবং উদাহরণ যেন অবশ্যই থাকে।
ম্যাপ পয়েন্টিং এর ক্ষেত্রে প্রশ্নের যে নাম্বার থাকে সেগুলো ধরেই উত্তর লিখবে। যেগুলো প্রশ্ন ভিত্তিক ম্যাপ পয়েন্টিং তার পাশে অবশ্যই উত্তরগুলো লেখা অতি অবশ্য প্রয়োজন। যদি না লেখা হয় তাহলে এক্ষেত্রে নাম্বার বাদ যেতে পারে। আর প্রত্যেকে যখন লুজ সিট নেবে তখন লুজ সিটের উপরের মাথায় নাম্বার পয়েন্টিং অতি অবশ্যই করতে হবে। সমস্ত প্রশ্নের উত্তর লেখার পরে শেষের যে ১৫ মিনিট থাকবে সেই ১৫ মিনিটে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটা প্রশ্ন এবং উত্তরের লেখার ধরণ মিলিয়ে নিতে হবে। তাহলে সেখানে কোনও বানান ভুল বা যে কোনও ভুলের ক্ষেত্রে তোমাদের চোখে পড়বে।





