এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ছাত্রী ও তার পরিবার। একটি শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও। বিষয়টি সামনে আসতেই দ্রুত উদ্যোগ নেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুপা পাল এবং ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও প্রাক্তন বিধায়ক সমীর কুমার পোদ্দার। তাঁরা প্রশাসনের উচ্চস্তরে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধানে তৎপর হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নজরে আনা হয়। তাঁরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট দফতরকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁদের সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বিশেষ ব্যবস্থায় ওই ছাত্রীর অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করে।
advertisement
এর ফলে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে এবং ছাত্রীটি অবশেষে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পায়। এই মানবিক উদ্যোগে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে পরিবার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী, সাংসদ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এই ঘটনা প্রমাণ করল, সদিচ্ছা, মানবিকতা ও সঠিক নেতৃত্ব থাকলে কোনও প্রশাসনিক জটিলতাই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে পারে না। মানবিকতার এই দৃষ্টান্ত দত্তপুলিয়া ইউনিয়ন একাডেমি ফর গার্লস-এর ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকল।






