এই পরিস্থিতিতে ইতিহাস পরীক্ষায় ভাল ফল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশ দিলেন শিলিগুড়ি তরাই তারাপদ আদর্শ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, পরীক্ষার হলে ঢুকেই প্রথম কাজ হওয়া উচিত প্রশ্নপত্র খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ে নেওয়া। বিশেষ করে এমসিকিউ এবং এসএকিউ অংশ ঠিকভাবে বুঝে উত্তর করলে নম্বর পাওয়া অনেকটাই সহজ হয়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বনগাঁয় মঞ্চে অপমানের অভিযোগে পুলিশে দারস্থ মিমি চক্রবর্তী, পাল্টা ব্যাখ্যা উদ্যোক্তাদের
তিনি আরও জানান, পরীক্ষার খাতা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। অযথা কাটাকুটি না করে ভুল হলে এক দাগ টেনে সংশোধন করাই শ্রেয়। পাশাপাশি খাতায় পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যেন নির্ভুল ও পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে, সে দিকেও বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
ইতিহাসের প্রস্তুতিতে নিয়মিত প্র্যাকটিসের উপর জোর দেন শিক্ষক। বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিগত পাঁচ বছরের প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে সেগুলি অনুশীলন করার কথা বলেন তিনি। প্রতিটি উত্তরের জন্য আলাদা অনুচ্ছেদ ব্যবহার করলে পরীক্ষকের পক্ষে খাতা মূল্যায়ন করা সহজ হয় এবং খাতার উপস্থাপনও সুন্দর হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসে পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক শান্তির কথা। পরীক্ষার আগের দিন ঠিকমতো ঘুম না হলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে। পাশাপাশি টেস্ট পেপার সল্ভ করলে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। বানান ভুল নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার প্রয়োজন না থাকলেও হাতের লেখা পরিষ্কার ও গুছিয়ে হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলেই মনে করেন শিক্ষক। সব মিলিয়ে পরিকল্পনা মেনে, চিন্তামুক্ত থেকে প্রস্তুতি নিলেই মাধ্যমিকের ইতিহাসে সাফল্য নিশ্চিত—এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।




