TRENDING:

JEE Exams: বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, কবে হতে পারে?

Last Updated:

গত বছর পরীক্ষা হয়েছিল ২৭ এপ্রিল। কিন্তু এবছর শিক্ষক মহল মনে করছেন তখন রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন চলবে। তাই পরীক্ষা করানো ওই সময়ে কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা এখন খালি সময়ের অপেক্ষা। বাংলার বিজ্ঞান শাখার পড়ুয়া, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন, এ বারের জয়েন্ট পরীক্ষা কবে হবে? বোর্ড সূত্রের খবর, মে মাসের আগে পরীক্ষা করানো কার্যত অসম্ভব।
বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ (Representative/File Image)
বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ (Representative/File Image)
advertisement

চলতি মাসের ২৭ তারিখ শেষ হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক, আইএসসি ও সিবিএসই (দ্বাদশের) পরীক্ষাও শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড আবেদন প্রক্রিয়ায় শুরু করতে পারেনি। গত বছর পরীক্ষা হয়েছিল ২৭ এপ্রিল। কিন্তু এ বছর শিক্ষক মহল মনে করছেন তখন রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন চলবে। তাই পরীক্ষা করানো কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।

advertisement

আরও পড়ুন– ভারতের কোন শহরকে ‘কলার রাজধানী’ বলা হয়? সামনে এল চমকে দেওয়া তথ্য

রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল। দায়িত্ব নিয়েই তাঁর কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ, আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত পরীক্ষা গ্রহণ করানো। গৌতম পাল বলেন, ‘‘আমার কাছে একটা বড় পরীক্ষা ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে সময় মতো পরীক্ষা গ্রহণ করানো। আমরা এই প্রক্রিয়ার কাজ শুরু করেছি। আশা করছি দ্রুত ও সঠিক সময়ের মধ্যে তা গ্রহণ করতে পারব।’’

advertisement

সূত্রের খবর, সাধারণত একটি বছরের ফল প্রকাশের দিনে পরের বছরের দিন ঘোষণা করে বোর্ড। যেহেতু এ বছর বিধানসভার নির্বাচন রয়েছে, তা আগেই ঘোষণা করা উচিত ছিল। সাধারণত এপ্রিল তৃতীয় অথবা চতুর্থ সপ্তাহে হয়ে থাকে পরীক্ষা। আর এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে ডিসেম্বরের শেষ থেকে ফর্মপূরণ-সহ পরীক্ষার একাধিক প্রক্রিয়া শুরু করা প্রয়োজন। কারণ রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সে রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রাজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ পড়ুয়া রয়েছে যাঁরা পরীক্ষা দেয়। আর এই প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় দিন ঘোষণার পরেও এক মাস মত সময় লাগে। এ বছর এই ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়াই শুরু হয়নি। তবে কবে পরীক্ষা হবে, তা নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতরের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করা হয়েছে বোর্ডের পক্ষ থেকে।

advertisement

আরও পড়ুন– জিম্বাবোয়েকে কত রানে হারাতে হবে ভারতকে? পরে ব্যাট করলে কত ওভারের মধ্যে টার্গেটে পৌঁছতে হবে? জেনে নিন অঙ্কটা

ইতিমধ্যেই সর্বভারতীয় স্তরে জয়েন্টে মেন্স-এর পরীক্ষার ফল ঘোষণা হয়েছে। অ্যাডভান্স-এর পরীক্ষা রয়েছে। যত সময় যাবে ততই রাজ্যের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ারা ভিন রাজ্যের দিকে চলে যাবেন বলে মনে করছেন শিক্ষামহল। আর ততই সমস্যা বাড়বে রাজ্যের সরকারি এবং বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির। কারণ তারা ছাত্র পাবে না। শিক্ষকমহলের একাংশ মনে করছেন রাজ্য ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ভর্তি সময়মতো না হলে ডিগ্রি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলির ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হবে। কারণ সেখানে ভর্তি হয়ে‌ও পড়ে সেই আসনটি শূন্য হয়ে যাবে।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পুরুলিয়ায় এবার মহাকাশ গবেষণার স্বপ্ন, অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের ‘পাঠশালা’য় উপচে পড়া ভিড়
আরও দেখুন

উল্লেখ্য শুধু বিধানসভা নির্বাচন নয়, মার্চ মাসের প্রথম দু’টি সপ্তাহে যে রবিবার রয়েছে সেখানে এসএসসির গ্রুপ সি গ্রুপ ডি-র পরীক্ষার রয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য রবিবারগুলি বেশ কিছু সর্বভারতীয় পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গেলে বেশ কিছু কলেজ ও স্কুল যেগুলিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় সেগুলি পাওয়া যাবে না। এই বিষয়টিও ভাবাচ্ছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডকে। তবে জয়েন্ট বোর্ড মনে করছে জুলাই মাসের মধ্যেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঠক্রম শুরু করতে কোনও সমস্যা হবে না পরীক্ষা দেরিতে হলেও।

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/
JEE Exams: বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, কবে হতে পারে?
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল