নবান্ন সূত্রের খবর, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু হওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই এত বিপুল আবেদন সরকারি তরফেও অপ্রত্যাশিত সাড়া বলে মনে করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যে ৮ হাজার আবেদন জমা পড়েছে, তাতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। তবে, এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে কলকাতাই।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৬ হাজার, আর বাকি জেলাগুলি থেকে আবেদন পড়েছে প্রায় ২ হাজার। আর কলকাতার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে বালিগঞ্জ ও যাদবপুর এলাকা থেকে। মাত্র দিনকয়েকের মধ্যে এই আবেদনই বলে দিচ্ছে, রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, এমনটাই মত শিক্ষামহলের।
advertisement
নবান্ন সূত্রে ফের জানানো হয়েছে, শুধু স্নাতক ও স্নাতকোত্তরই নয়, ডাক্তারি, আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস বা যে কোনও ডিপ্লোমায় পড়ার জন্যও ছাত্রছাত্রীরা যে কোনও সময় এই ঋণ পেতে পারেন। এ ছাড়াও ব্যাংক, রেলওয়ে, স্টাফ সিলেকশন কমিশন বা অন্য কোনও পেশাদারি পাঠ্যক্রমের জন্যেও ছাত্ররা কোনও বৈধ প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করলে এই ঋণ পাবেন। ছাত্র ঋণে সর্বোচ্চ দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
তবে, আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ৪০ বছরের মধ্যে। ঋণের মেয়াদ থাকবে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত। কোর্স চলাকালীন যে কোনো সময়ে এই কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে। আবেদন করার জন্য যোগাযোগ করতে হবে-www.wb.gov.in, Toll free number 18001028014.-এ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার জন্য আবেদনকারীকে কেবলমাত্র সেল্ফ ডিক্লারেশন দিতে হবে। তবে শর্ত অনুযায়ী তাঁকে অন্তত দশ বছর পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে। আর এই ঋণের ক্ষেত্রে গ্যারান্টার স্বয়ং সরকার।
