TRENDING:

Success Story: তিন তিনবারে সাফল্য...! ইউপিএসসিতে চমকে দেওয়া ফল খড়গপুরের অরুণিমার

Last Updated:

Success Story: লক্ষ্য স্থির, তিনবারের চেষ্টায় সফল ইউপিএসসিতে, কিভাবে চলত প্রস্তুতি, জানুন

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
Choose
News18 on Google
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর: দুবার পূরণ হয়নি ইচ্ছে, তৃতীয়বারের চেষ্টায় অবশেষে সাফল্য। ইউপিএসসি পরীক্ষায় ১৪ র‍্যাঙ্ক করেছে খড়গপুর নিমপুরা আর্য বিদ্যাপীঠের এক প্রাক্তনী। বাড়ি হুগলির শ্রীরামপুর হলেও বাবার কাজের সুবাদে ছোট থেকেই মানুষ হয়েছেন রেলশহর খড়্গপুরে। বাবাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রতি ঝোঁক বাড়ে তবে বরাবর লক্ষ্য ছিল ইউপিএসসি। সেই মতো নিজে নিজে প্রস্তুতি নিয়েই সফল বছর ২৪ এর অরুণিমা ভাওয়াল।
অরুনিমা ভাওয়াল 
অরুনিমা ভাওয়াল 
advertisement

কখনও অনলাইন, কখনও বই, আবার কখনও নিজেই বাড়িতে পড়তেন অরুণিমা। ইউপিএসসি পরীক্ষায় ইন্ডিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসে ১৪ র‍্যাঙ্ক করেন তিনি। শুধু তাই নয়, ডিআরডিও সাইন্টিস্ট নিয়োগ পরীক্ষাতেওপাশ করেছেন অরুণিমা। বাবা মানস কুমার ভাওয়াল এবং মা সুমিতা ভাওয়াল এর একমাত্র মেয়ে অরুণিমা। বাবা দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে শাখায় খড়গপুর ডিভিশনে সিনিয়ার সেকশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাই বাবার কাজের সুবাদেই ছোট থেকে মানুষ হয়েছেন রেলশহর খড়্গপুরে। রেলের আবাসে বড় হয়ে ওঠা তার।

advertisement

আরও পড়ুন: ক্লাস ওয়ান কত বছরে? ক্লাস ফাইভ কত? স্কুলে ভর্তির নূন্যতম বয়স বেঁধে দিল রাজ্য! ফর্ম তোলার আগে দেখে নিন তালিকা

স্কুল জীবন শুরু হয়েছিল নিমপুরা আর্য বিদ্যাপীঠ থেকে। ২০১৪ সালে মাধ্যমিক এবং ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন অরুণিমা। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যস্তরে র‍্যাঙ্ক করেছিল অরুণিমা। উচ্চ মাধ্যমিকের পর শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক্স এবং টেলিকমিউনিকেশনে বি.টেক পাস করেন তিনি। এরপর খড়গপুর আইআইটি থেকে করেছেন এম.টেকও।

advertisement

View More

আরও পড়ুন: ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ১১০ কিমি/ঘণ্টা! তাণ্ডব চালাবে ‘অতি সক্রিয়’ ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’? প্রহর গুনছে ভয়ে কাঁটা মানুষ

বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে অরুণিমা। শুধু পড়াশোনা নয়, প্রতিভা রয়েছে বাচিক শিল্পেও।লেখালেখি করেন কবিতা, গল্প। অরুণিমা বলেন, ছোট থেকেই বাবাকে দেখে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। দুটি ক্ষেত্রে সফলতা মেলায় একটু বিপাকেই পড়েছেন অরুণিমা। তাঁর মতে, দুটি ক্ষেত্রেই চাকরি তাঁর পছন্দ। তবে মন স্থির করতে পারছেন না কোন পথে তিনি যাবেন! মেয়ের সাফল্যে খুশির হাওয়া পরিবারে। অরুণিমার মা সুনিতা ভাওয়াল বলেন, ছোট থেকেই মেয়েকে নিজের হাতে মানুষ করেছি। আমরা খেয়ে ঘুমিয়ে গেলে ও পড়াশোনা করত।

advertisement

ছেলেদের থেকে মেয়েরাও যে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই তা আরও একবার প্রমাণ করল খড়গপুরের অরুণিমা। ছাত্রীর এই সাফল্যে খুশি তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ইতিমধ্যেই সমাজ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে গোটা খড়গপুরবাসীও।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভরা কোটালের আগেই বিপর্যয়, হাসনাবাদে বড়সড় প্লাবনের আশঙ্কায় রাতের ঘুম উধাও
আরও দেখুন

রঞ্জন চন্দ

বাংলা খবর/ খবর/শিক্ষা/শিক্ষা/
Success Story: তিন তিনবারে সাফল্য...! ইউপিএসসিতে চমকে দেওয়া ফল খড়গপুরের অরুণিমার
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল