কখনও অনলাইন, কখনও বই, আবার কখনও নিজেই বাড়িতে পড়তেন অরুণিমা। ইউপিএসসি পরীক্ষায় ইন্ডিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসে ১৪ র্যাঙ্ক করেন তিনি। শুধু তাই নয়, ডিআরডিও সাইন্টিস্ট নিয়োগ পরীক্ষাতেওপাশ করেছেন অরুণিমা। বাবা মানস কুমার ভাওয়াল এবং মা সুমিতা ভাওয়াল এর একমাত্র মেয়ে অরুণিমা। বাবা দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে শাখায় খড়গপুর ডিভিশনে সিনিয়ার সেকশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাই বাবার কাজের সুবাদেই ছোট থেকে মানুষ হয়েছেন রেলশহর খড়্গপুরে। রেলের আবাসে বড় হয়ে ওঠা তার।
advertisement
স্কুল জীবন শুরু হয়েছিল নিমপুরা আর্য বিদ্যাপীঠ থেকে। ২০১৪ সালে মাধ্যমিক এবং ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন অরুণিমা। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যস্তরে র্যাঙ্ক করেছিল অরুণিমা। উচ্চ মাধ্যমিকের পর শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক্স এবং টেলিকমিউনিকেশনে বি.টেক পাস করেন তিনি। এরপর খড়গপুর আইআইটি থেকে করেছেন এম.টেকও।
বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে অরুণিমা। শুধু পড়াশোনা নয়, প্রতিভা রয়েছে বাচিক শিল্পেও।লেখালেখি করেন কবিতা, গল্প। অরুণিমা বলেন, ছোট থেকেই বাবাকে দেখে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। দুটি ক্ষেত্রে সফলতা মেলায় একটু বিপাকেই পড়েছেন অরুণিমা। তাঁর মতে, দুটি ক্ষেত্রেই চাকরি তাঁর পছন্দ। তবে মন স্থির করতে পারছেন না কোন পথে তিনি যাবেন! মেয়ের সাফল্যে খুশির হাওয়া পরিবারে। অরুণিমার মা সুনিতা ভাওয়াল বলেন, ছোট থেকেই মেয়েকে নিজের হাতে মানুষ করেছি। আমরা খেয়ে ঘুমিয়ে গেলে ও পড়াশোনা করত।
ছেলেদের থেকে মেয়েরাও যে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই তা আরও একবার প্রমাণ করল খড়গপুরের অরুণিমা। ছাত্রীর এই সাফল্যে খুশি তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ইতিমধ্যেই সমাজ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে গোটা খড়গপুরবাসীও।
রঞ্জন চন্দ






