advertisement

প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যে পিছিয়ে, ঐতিহ্যে আজও এগিয়ে খড়গপুর, চমকে দেবে ইতিহাস!

Last Updated:
Kharagpur Station: বর্তমানে অন্যান্য স্টেশন প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যে খড়গপুরকে ছাড়িয়ে গেলেও, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও রেল সংযোগের কেন্দ্র হিসেবে এর মর্যাদা অটুট। 
1/6
খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: খড়গপুর শুধু একটি শহরের নাম নয়, এটি ভারতীয় রেল ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার এই ছোট্ট শহরটি গোটা দেশ জুড়ে পরিচিত মূলত তার ঐতিহাসিক রেল জংশন এবং দীর্ঘ প্ল্যাটফর্মের জন্য।
খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: খড়গপুর শুধু একটি শহরের নাম নয়, এটি ভারতীয় রেল ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিচিতি। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার এই ছোট্ট শহরটি গোটা দেশ জুড়ে পরিচিত মূলত তার ঐতিহাসিক রেল জংশন এবং দীর্ঘ প্ল্যাটফর্মের জন্য।
advertisement
2/6
একসময় খড়গপুর রেলওয়ে স্টেশন দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে উত্তর প্রদেশের গোরখপুর ও কর্ণাটকের হুব্বলি স্টেশন প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যে এগিয়ে থাকলেও, খড়গপুরের ঐতিহ্য আজও অমলিন।
একসময় খড়গপুর রেলওয়ে স্টেশন দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে উত্তর প্রদেশের গোরখপুর ও কর্ণাটকের হুব্বলি স্টেশন প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যে এগিয়ে থাকলেও, খড়গপুরের ঐতিহ্য আজও অমলিন।
advertisement
3/6
খড়গপুর রেল স্টেশন স্থাপিত হয় ব্রিটিশ আমলে বেঙ্গল নাগপুর রেলওয়ে (BNR) সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে। ব্রিটিশরা পূর্ব ভারতকে মধ্য ও পশ্চিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে বেঙ্গল থেকে নাগপুর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ শুরু করে। সেই পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে খড়গপুর। ধীরে ধীরে এটি আদ্রা, টাটানগর, মুম্বই ও চেন্নাইমুখী দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের অন্যতম জংশনে পরিণত হয়।
খড়গপুর রেল স্টেশন স্থাপিত হয় ব্রিটিশ আমলে বেঙ্গল নাগপুর রেলওয়ে (BNR) সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে। ব্রিটিশরা পূর্ব ভারতকে মধ্য ও পশ্চিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে বেঙ্গল থেকে নাগপুর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ শুরু করে। সেই পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে খড়গপুর। ধীরে ধীরে এটি আদ্রা, টাটানগর, মুম্বই ও চেন্নাইমুখী দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের অন্যতম জংশনে পরিণত হয়।
advertisement
4/6
খড়গপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর ১–এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১,০৭২ মিটার (প্রায় ৩,৫১৭ ফুট), যা দীর্ঘদিন ধরে দেশের দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল। এই বিশাল প্ল্যাটফর্ম একাধিক দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেন একসঙ্গে সামাল দেওয়ার সক্ষমতা রাখে। রেল যোগাযোগের দিক থেকে খড়গপুর দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একটি প্রধান বিভাগীয় সদর দফতর হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
খড়গপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর ১–এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১,০৭২ মিটার (প্রায় ৩,৫১৭ ফুট), যা দীর্ঘদিন ধরে দেশের দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল। এই বিশাল প্ল্যাটফর্ম একাধিক দীর্ঘ দূরপাল্লার ট্রেন একসঙ্গে সামাল দেওয়ার সক্ষমতা রাখে। রেল যোগাযোগের দিক থেকে খড়গপুর দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একটি প্রধান বিভাগীয় সদর দফতর হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
advertisement
5/6
রেলপথকে কেন্দ্র করে খড়গপুর শহরের বিকাশ ঘটে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়, গড়ে ওঠে রেল কলোনি, কর্মশালা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীকালে ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান (আইআইটি) খড়গপুর, যা শহরের পরিচিতিকে আরও বিস্তৃত করে।
রেলপথকে কেন্দ্র করে খড়গপুর শহরের বিকাশ ঘটে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়, গড়ে ওঠে রেল কলোনি, কর্মশালা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীকালে ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান (আইআইটি) খড়গপুর, যা শহরের পরিচিতিকে আরও বিস্তৃত করে।
advertisement
6/6
বর্তমানে অন্যান্য স্টেশন প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যে খড়গপুরকে ছাড়িয়ে গেলেও, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও রেল সংযোগের কেন্দ্র হিসেবে এর মর্যাদা অটুট। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে আজ পর্যন্ত খড়গপুর ভারতীয় রেলের মানচিত্রে এক গর্বের নাম হয়ে রয়েছে।রঞ্জন চন্দ
বর্তমানে অন্যান্য স্টেশন প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্যে খড়গপুরকে ছাড়িয়ে গেলেও, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও রেল সংযোগের কেন্দ্র হিসেবে এর মর্যাদা অটুট। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় থেকে আজ পর্যন্ত খড়গপুর ভারতীয় রেলের মানচিত্রে এক গর্বের নাম হয়ে রয়েছে।রঞ্জন চন্দ
advertisement
advertisement
advertisement