বাঁকুড়া জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্কুল কেঞ্জাকুড়া দামোদর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়। চলতি বছর এই স্কুল থেকে ৭২ জন ছাত্রীর উচ্চ মাধ্যমিক দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাই হয়নি। গত ১৮ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষিত হয়। ফলাফল জানতে গিয়ে ওই স্কুলের ছাত্রীরা জানতে পারে প্রায় অর্ধেক ছাত্রী এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।
advertisement
ছাত্রীদের দাবি স্কুলের মোট ৩৬ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে যদিও স্কুলের তরফে জানা গেছে, ওই স্কুলের মোট ৩২ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। পরীক্ষা না দিয়েও এত সংখ্যক পরীক্ষার্থী কেন অকৃতকার্য হল, সেই প্রশ্ন তুলে ও গোটা ঘটনায় স্কুলের গাফিলাতিকে দায়ী করে আজ থেকে আন্দোলনে নামল স্কুলের পড়ুয়ারা। আজ সকালে স্কুলের মেনগেটে তালা দিয়ে তার সামনে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে পড়ুয়ারা।
যদিও দিকেদিকে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভের জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ৷ উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা ছাত্রছাত্রীদের নামের তালিকা এবং তাদের একাদশ শ্রেণিতে প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা সংসদে জমা দেওয়ার জন্য স্কুলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ উচ্চ মাধ্যমিকে ফলাফল নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে ছাত্রছাত্রীরা৷ এমন কি সংসদের সদর দফতরের সামনেও বিক্ষোভ হয়েছে৷ এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী কেন ফেল করল, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য প্রশাসনও৷ যে স্কুলগুলির বেশি সংখ্যক ছাত্রছাত্রী ফেল করেছে, তার মধ্যে বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের এ দিন ডেকে পাঠায় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ৷ তার পরই বিজ্ঞপ্তি জারি করে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ৷
