ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হবে পুজোর আগে ১০৫০০ টি শূন্যপদে। সেক্ষেত্রে এই নিয়োগ কিভাবে হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৎপরতা শুরু করেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর ও প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সূত্রের খবর খুব শীঘ্রই এই ১০৫০০ টি শূন্যপদে নিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে চলেছে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সে ক্ষেত্রে এই শূন্য পদে নিয়োগের জন্য মানিক ভট্টাচার্যের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে রাজ্য সরকার। সে ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে রাজ্য সরকার। সে ক্ষেত্রে এই নিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় পুজোর পরে ৭৫০০টি শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে বলে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন। সেই নিয়োগ মার্চ মাসে হবে বলেও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
advertisement
এক্ষেত্রে মানিক ভট্টাচার্য নিয়োগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।যিনি ইতিমধ্যেই জনপ্রতিনিধি বা বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি কি সংসদের চেয়ারম্যান হতে পারেন? সূত্রের খবর মানিক ভট্টাচার্য নিয়োগ নিয়ে কোনো আইন সংশোধন করেনি রাজ্য। যদিও একাংশের বক্তব্য সংসদে আইন সংশোধন না করে কিভাবে এই নিয়োগ করা সম্ভব? যদিও দফতরের আধিকারিকদের একাংশের ব্যাখ্যা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের আইনে নির্দিষ্ট করে কোথাও উল্লেখ নেই যে জনপ্রতিনিধিরা বিধায়ক হলেও চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে এই নিয়োগ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই বলেও দাবি স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের একাংশের। যদিও এই বিষয় নিয়ে মানিক ভট্টাচার্যের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
SOMRAJ BANDOPADHYAY
