নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, '২০২০ সালের একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অথবা নম্বর সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকলে যে কোনও সময় স্কুলগুলি থেকে উত্তরপত্র চাওয়া হতে পারে৷ সেই কারণেই উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরোনোর পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত এই তথ্যগুলি রেখে দিতে হবে স্কুল গুলিকে।'
advertisement
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফের দেওয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে ২৮ শে জুন পর্যন্ত করা হচ্ছে।
শুক্রবারে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সাংবাদিক সম্মেলন করে উচ্চ মাধ্যমিকে কীভাবে মূল্যায়ন করে ছাত্রছাত্রীদের নম্বর দেওয়া হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে। এক্ষেত্রে মাধ্যমিকের প্রাপ্ত নম্বরকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে । মাধ্যমিকে প্রাপ্ত নম্বরের নিরিখে একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত নম্বরের ৬০ শতাংশ ধরা হবে বলে জানিয়েছে সংসদ। শুক্রবারই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফের রাজ্যের সমস্ত স্কুলকে যাতে দ্রুত একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর সংসদে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রায় ৩৩ শতাংশ স্কুল একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার নম্বর পাঠায়নি।
শুধু তাই নয় যেখানে ৩৩% স্কুল নম্বর পাঠায়নি সেক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের নম্বরে একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ স্কুলগুলির নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য করতে পারে এই অভিযোগ নিয়ে একাধিক শিক্ষক সংগঠন দ্বারস্থ হয় স্কুল শিক্ষা দপ্তরের কাছে। শুধু তাই নয়, একাধিক প্রধান শিক্ষক শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এই অভিযোগ জানায় বলেই সূত্রের খবর। তার পরই স্কুল শিক্ষা দপ্তরের তরফে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়। মূলত স্কুল শিক্ষা দপ্তরের থেকে জানতে চাওয়া হয় যে সমস্ত স্কুল নম্বর জমা দেয়নি সেই সমস্ত স্কুলের ক্ষেত্রে সংসদ সতর্কমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে কি না? তার পরই সংসদের তরফে সোমবার স্কুলগুলিকে এমন নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
Somraj Bandopadhyay
