যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে তা তাদের ক্ষেত্রে ঠিক হয়নি, দাবি ফেল করা ছাত্রীদের। তাদেরকেও পাশ করাতে হবে এই দাবিতেই শনিবার স্কুলের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বসে তারা। তাদের দাবি, মাধ্যমিকের ফল এবং একাদশ শ্রেণীর নম্বর ও ক্লাস টুয়েলভের প্র্যাকটিক্যালের নম্বর যোগ করে যদি ফল প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে তারাও অন্য পড়ুয়াদের মতোই পাশ করত। কেন তাদের ফেল করানো হল? বিক্ষোভ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। তিনি ছাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা চালান। কিন্তু ছাত্রীরা নিজেদের দাবিতে অনড় থাকে। দীর্ঘক্ষণ চলে আন্দোলন। পরে প্রধান শিক্ষিকার প্রস্তাব মতো ছাত্রীরা রাজি হয় যে তারা সোমবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা কাউন্সিলের কাছে নালিশ জানাবেন। তারপর অবরোধ প্রত্যাহার করে ছাত্রীরা।
advertisement
প্রধান শিক্ষিকা জানান তিনি স্কুলের ছাত্রীদের জন্য দরবার করবেন। পাশেও থাকবেন। এক অভিভাবিকাও জানান, অন্য সকলে পাশ করে গেল, তবে কেন পরীক্ষা না হওয়ার পরও এই ১৪ জন ফেল করেছে।
অন্যদিকে একই ইস্যুতে সরব শিলিগুড়ির বরদাকান্ত বিদ্যাপীঠের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরাও। তবে ফেল করার জন্যে নয়, তাদের অভিযোগ, নম্বর কম এসছে। মূল্যায়ন সঠিক পদ্ধতিতে হয়নি। ২০ থেকে ২৫ নম্বর কম এসছে। এতে কলেজে ভর্তি হতে সমস্যায় পড়তে হবে। স্কুলের প্রধান শিক্ষকও ছাত্রদের পাশে থাকারই আশ্বাস দিয়েছেন। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতির কাছে যাবতীয় অভিযোগ জানিয়ে মেল করেছেন।
