কী কী কোর্স করা যায়
দশম শ্রেণি পাশ করার পরই দু’ থেকে তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করার সুযোগ থাকে এই বিষয়ে। যদিও অধিকাংশ পড়ুয়া স্নাতক স্তরে কৃষি প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা করতে পছন্দ করেন। এগ্রিকালচার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক চার বছরের একটি কোর্স, যেখানে সেচব্যবস্থা, কৃষিযন্ত্র, মাটি ও জল সংরক্ষণ-সহ কৃষিতে প্রযুক্তির নানা দিক শেখানো হয়।
advertisement
এছাড়া এগ্রিকালচারে বি.এসসি পড়ার সুযোগও রয়েছে, যদিও সেখানে প্রযুক্তির অংশ তুলনামূলক কম। বর্তমানে কৃষির সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় ঘটিয়ে বি.টেক কোর্সের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়। স্নাতকের পর স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি করার সুযোগও রয়েছে।
যোগ্যতা
স্বীকৃত বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। পাশাপাশি জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পাওয়া যায়।
কোথায় পড়া যায়
IIT Kharagpur-সহ দেশের বিভিন্ন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে এই বিষয় পড়ানো হয়। এছাড়া Bidhan Chandra Krishi Viswavidyalaya এবং Uttar Banga Krishi Viswavidyalaya-তেও এগ্রিকালচার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি কৃষি প্রযুক্তির পাঠ দেওয়া হয়।
পেশাগত সুযোগ
এই বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে এগ্রিকালচার ইঞ্জিনিয়ার, ইরিগেশন ইঞ্জিনিয়ার, ফার্ম মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাগ্রোনোমিস্ট, সয়েল সায়েন্টিস্টের মতো পদেও সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরির সম্ভাবনা থাকে।
