ক্লে বা ফেব্রিক জুয়েলারির পরে এবার নতুন সংযোজন এই এমব্রয়ডারি গয়না। সূক্ষ্ম সুতোয় নকশা করা গলার হার, কানের দুল, চুড়ি কিংবা হেয়ার বেল্ট—সবই যেমন দেখতে আলাদা, তেমনই ব্যবহারেও আরামদায়ক। অত্যন্ত হালকা হওয়ায় দৈনন্দিন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবহারেও এগুলির চাহিদা বাড়ছে দ্রুত।
আরও পড়ুন: ‘লার্ন উইথ ফান’! কঠিন সমাধান এবার নিমেষে, বসিরহাটের স্কুলে চালু হল অঙ্কের ল্যাবরেটরি
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন ২ ব্লকের ধনেশ্বরপুর এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ মৌমিতা জানা বাড়িতে বসেই তৈরি করছেন এই ধরনের এমব্রয়ডারি জুয়েলারি। সংসারের কাজ সামলে অবসর সময়ে নিজের ছোটবেলার শেখা ও শখকে কাজে লাগিয়ে তিনি শুরু করেছেন এই উদ্যোগ। সামান্য উপকরণ ও রঙিন সুতো দিয়েই তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের নকশাদার গয়না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মৌমিতা জানালেন, তাঁর তৈরি জুয়েলারি মূলত পাইকারি দরে বিক্রি হয়। দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ২৫ টাকা থেকে, সর্বোচ্চ প্রায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত। হালকা হওয়ার পাশাপাশি রঙিন সূতোয় তৈরি হওয়ায় এগুলি দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। অনলাইন ও অফলাইন—দু’ভাবেই বিক্রি হচ্ছে এই জুয়েলারি। শুধু স্থানীয় বাজার নয়, দিল্লি, কাশ্মীর-সহ বিভিন্ন রাজ্যেও পৌঁছে যাচ্ছে তাঁর তৈরি গয়না। এই কাজ থেকে প্রতি মাসে তাঁর নিয়মিত আয় হচ্ছে। সংগঠিতভাবে কাজ করলে একজনের মাসিক রোজগার প্রায় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলেও জানালেন তিনি।
শুধু নিজের রোজগারেই সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি ইতিমধ্যেই একাধিক মহিলাকে এই কাজে যুক্ত করেছেন। সব মিলিয়ে বলা যায়, এমব্রয়ডারি জুয়েলারি আজ শুধু ফ্যাশনের অনুষঙ্গ নয়, গ্রামীণ মহিলাদের স্বনির্ভরতার দিশাও দেখাচ্ছে। হাতে তৈরি এই শিল্প ভাবনাই বদলে দিচ্ছে গয়নার বাজারের চেনা ছবিটা।





