আগামী ২৫ মার্চ প্রতিষ্ঠানের রাজেন্দ্র মিশ্র স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্টারপ্রেনারশিপে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হবে। দেশের নানা প্রান্তের শিল্পীদের সমাগমে এই কর্মশালায় অংশ নিতে আসছেন দেশের ৭টি ভিন্ন ঘরানার ১৫ জন প্রথিতযশা শিল্পী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তামিলনাড়ুর কল্লাকুরিচি কাঠের কাজ (GI তকমা প্রাপ্ত), জম্মু-কাশ্মীরের খাতামবন্দ শিল্প, অন্ধ্রপ্রদেশের উদয়গিরি কাঠের তৈজসপত্র, উত্তর-পূর্ব ভারতের বাঁশ ও বেতের কাজ, উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর এবং ওডিশা ও দিল্লির দক্ষ কারিগররা। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের তালিকায় জাতীয় ও রাজ্য স্তরের পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণীজনরাও রয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুন: পরিযায়ী পাখিদের ওপর জুলুম, খাওয়ার লোভে ফাঁদ পেতে বসেছিল শিকারীরা! পুলিশ দেখে বাইক ফেলে পগার পার
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল হস্তশিল্পের প্রাচীন পদ্ধতি, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং কাঁচামাল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও নথিবদ্ধ করা। আইআইটি-র বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা শিল্পীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে আধুনিক প্রযুক্তির (যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI) সাহায্যে একটি ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার তৈরি করবেন। এর মাধ্যমে শিল্পীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাঁদের কাজের বাজার তৈরির নতুন পথ খুলে যাবে। প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক প্রিয়দর্শী পট্টনায়েক বলেন, “এটি ভারতীয় হস্তশিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গবেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং প্রান্তিক শিল্পীদের এই মেলবন্ধন ভারতের কুটির শিল্পের বিকাশে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আইআইটি খড়গপুর এবং বস্ত্র মন্ত্রকের মধ্যে এই ধরনের বড় মাপের সহযোগিতা এই প্রথম।” কর্মশালার শেষ পর্বে শিল্পীরা তাঁদের তৈরি করা সামগ্রী আইআইটি ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রদর্শনী ও সাধারণের কাছে বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। আইআইটির সূত্রে খবর, শিল্পীদের তৈরি সেরা কিছু নমুনা আইআইটি’র সংগ্রহশালায় রাখা হবে ভবিষ্যৎ গবেষণা ও প্রদর্শনীর জন্য।






