আরও পড়ুন: Personal Loan না Credit Card, কম সুদ ও সহজ কিস্তির ক্ষেত্রে কোনটি বেশি লাভজনক ?
স্থানীয় কৃষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল জানান, “শাক আলুর বাজারদর ভালো থাকায় এই চাষে বেশ সুবিধা হচ্ছে। প্রতি কাটা জমিতে চার থেকে পাঁচ বস্তা পর্যন্ত আলু পাওয়া যায়। খরচ তুলনামূলক কম, আর বিক্রিও দ্রুত হয়।” তাঁর কথায়, চাষের ঝুঁকি কম এবং উৎপাদনও স্থিতিশীল হওয়ায় অনেকেই এখন এই চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। কৃষকদের মতে, শাক আলু চাষে সারের ব্যবহার কম লাগে এবং রোগবালাইও তুলনামূলক কম হয়। ফলে অতিরিক্ত কীটনাশকের প্রয়োজন পড়ে না। এতে যেমন খরচ বাঁচে, তেমনি জমির উর্বরতাও বজায় থাকে। পাশাপাশি অল্প সময়ের মধ্যেই ফসল তোলা যায়, যা চাষিদের কাছে বড় সুবিধা।
advertisement
আরও পড়ুন: বারুইপুর ডাকঘরে বন্ধ এই পরিষেবা! সংশোধন হচ্ছে না আধার কার্ড
বাদুড়িয়া ও আশপাশের এলাকায় ইতিমধ্যেই একাধিক কৃষক এই চাষ শুরু করেছেন। স্থানীয় হাট-বাজারে শাক আলুর চাহিদা বাড়ছে বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে কৃষকরা উৎপাদিত ফসল সহজেই বিক্রি করতে পারছেন। সব মিলিয়ে, শাক আলু চাষ এখন বাদুড়িয়ায় একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প কৃষি উদ্যোগ হিসেবে উঠে এসেছে। সঠিক বাজার ও প্রশাসনিক সহায়তা পেলে ভবিষ্যতে এই চাষ আরও বিস্তৃত হবে বলেই মনে করছেন কৃষি মহলের একাংশ।
জুলফিকার মোল্যা





