নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পটচিত্র শিল্পকেই তারা নতুন রূপে, নতুন আঙ্গিকে সাজিয়েছেন জীবিকার মূল ভিত্তি হিসেবে। আধুনিক পটচিত্র থেকে শুরু করে সুতির পাঞ্জাবি, হাতপাখা, কলম রাখার স্ট্যান্ড, নিত্যপ্রয়োজনীয় সব সামগ্রীর উপর ফুটিয়ে তুলছেন নিখুঁত পটচিত্র। পৌরাণিক কাহিনি, গ্রামীণ জীবন, সামাজিক বার্তা, সবকিছুই রঙের আঁচড়ে জীবন্ত হয়ে উঠছে।
advertisement
একসময় যারা মানুষের দরজায় গান শুনাতেন, তাদের শিল্পের কাছে আজ ভিড় জমাচ্ছেন বহু শিল্পপ্রেমী ও পর্যটকরা। পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এমনকি জেলার বাইরেরও বহু শিল্পপ্রেমী ও পর্যটক আসছেন মাজরামুড়ায়। পছন্দ করে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন হাতে আঁকা পটচিত্র ও শিল্পসামগ্রী। তাদের শিল্প এখন আর করুণার প্রতীক নয়, আত্মমর্যাদার প্রতিচ্ছবি। এই পরিবর্তন শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিকও বটে। ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হীনমন্যতা আজ অনেকটাই দূরে সরে গেছে। শিশুদের হাতে এখন বই-খাতা, তরুণ প্রজন্ম শিখছে পটচিত্র আঁকার কৌশল। আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলেছে পুরো গ্রাম।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মাজরামুড়ার এই রঙিন গল্প প্রমাণ করে, সুযোগ ও স্বীকৃতি পেলে শিল্পই পারে জীবন বদলে দিতে। ভিক্ষার পথ ছেড়ে তুলি আর রঙকেই সঙ্গী করে আজ নতুন ইতিহাস লিখছেন কাশীপুরের চিত্রকর পরিবারেরা। তাদের প্রতিটি আঁচড় যেন বলে, “আমরা আর করুণা চাই না, আমরা চাই আমাদের শিল্পের সম্মান।”





